ফরমেশন বদলে পুরোনো ছকে ফিরছে ব্রাজিল
মেলবোর্ন, ১৯ জুন- মরক্কোর বিপক্ষে হতাশাজনক ড্রয়ের পর নিজেদের কৌশলে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ব্রাজিল। দলটির প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি ঝুঁকিপূর্ণ কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষার পথে না গিয়ে…
মেলবোর্ন, ১৯ জুন- প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ এবং পাবলিক পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে ডিজিটাল মাধ্যমে নকলের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান যুক্ত করে ‘পাবলিক পরীক্ষা আইন’ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে। নতুন আইনে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের আধুনিক পদ্ধতিগুলোকে বিবেচনায় এনে প্রয়োজনীয় শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে রোটারি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘লিডার্স ট্রেনিং সেমিনার’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের ফলে পরীক্ষায় নকলের ধরনও পরিবর্তিত হয়েছে। ডিজিটাল ডিভাইস ও অনলাইন প্রযুক্তি ব্যবহার করে অসদুপায় অবলম্বনের ঘটনা রোধে সরকার নতুন আইন প্রণয়ন করেছে। এর মাধ্যমে পরীক্ষার স্বচ্ছতা রক্ষা এবং মেধাভিত্তিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, শিক্ষাব্যবস্থাকে সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী করতে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করছে। শুধু উচ্চশিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে দেশে বেকারত্ব বাড়ানো সরকারের লক্ষ্য নয়। বরং শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যাতে তারা দক্ষতা, যোগ্যতা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে পারে।
আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সমাজে এমন একটি প্রবণতা তৈরি হয়েছে যেখানে অধিকাংশ শিক্ষার্থী শুধুমাত্র অনার্স, মাস্টার্স কিংবা প্রচলিত উচ্চশিক্ষার দিকে ঝুঁকছে। কিন্তু কর্মসংস্থানের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে শিক্ষার এই ধারা সবসময় সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ফলে অনেক শিক্ষিত তরুণ কর্মসংস্থানের সুযোগ না পেয়ে হতাশায় ভুগছেন।
এ অবস্থায় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, দক্ষ জনশক্তি তৈরি ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। দেশের তরুণদের কর্মমুখী শিক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে দেশ-বিদেশের শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তুলতে হবে।
তিনি আরও জানান, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের ভিত্তিতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই পাঠ্যবইয়ে কারিগরি শিক্ষার বিষয় অন্তর্ভুক্ত ও বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থী তৈরি করা নয়, বরং দক্ষ, উদ্ভাবনী ও কর্মক্ষম মানবসম্পদ গড়ে তোলা। প্রধানমন্ত্রীও তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। সে লক্ষ্যেই শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন স্তরে সংস্কার ও আধুনিকায়নের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে রোটারি বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে নেতৃত্ব বিকাশ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au