শেখ হাসিনার ফেরার ঘোষণা ঘিরে উত্তাল ঢাকা, আওয়ামী লীগ কি তাহলে ফিরছে?
ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তাঁর এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা…
মেলবোর্ন, ১৪ ডিসেম্বর- আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে খুলনায় নির্বাচনি আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ১৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণকে সামনে রেখে খুলনার ছয়টি সংসদীয় আসনে তারা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবেন।
শুক্রবার খুলনা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আ স ম জামশেদ খোন্দকার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। আদেশে বলা হয়েছে, মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর আওতায় নির্বাচনি আচরণবিধি বাস্তবায়নে এসব নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে ১২ ডিসেম্বর থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
খুলনা মহানগরীর দুটি আসনের জন্য পৃথকভাবে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। নগরীর ১ থেকে ১৫ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন সহকারী কমিশনার নাজমুস সাকিব এবং সহকারী কমিশনার শেখ রায়হানা ইসলাম। অন্যদিকে ১৬ থেকে ৩১ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় দায়িত্ব পালন করবেন সহকারী কমিশনার ইমরান হাসান এবং সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) অপ্রতিম কুমার চক্রবর্ত্তী।
জেলার চারটি সংসদীয় আসনের আওতায় থাকা উপজেলাগুলোতেও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রূপসা উপজেলায় দায়িত্ব পেয়েছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, দিঘলিয়ায় দেবাংশু বিশ্বাস, বটিয়াঘাটায় মো. শোয়েব শাত-ঈল-ইভান, তেরখাদায় আঁখি শেখ, ডুমুরিয়ায় অমিত কুমার বিশ্বাস, ফুলতলায় তৌহিদ রেজা, দাকোপে মো. সেবগাতুল্যাহ, পাইকগাছায় মো. ফজলে রাব্বী এবং কয়রা উপজেলায় সহকারী কমিশনার দীপেন সাধক রনি।
প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনি প্রচারণা, সভা-সমাবেশ, পোস্টার-ব্যানার ব্যবহারসহ আচরণবিধি লঙ্ঘনের যেকোনো অভিযোগে এসব ম্যাজিস্ট্রেট তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবেন। শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের এই তৎপরতা নির্বাচনি সময়জুড়ে অব্যাহত থাকবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au