আগে ‘শিবির’, এখন ‘ছাত্রলীগ’: বদলায়নি ট্যাগিংয়ের রাজনীতি
বাংলাদেশের রাজনীতিতে কোনো ব্যক্তিকে রাজনৈতিক দল, সংগঠন বা মতাদর্শের সঙ্গে যুক্ত করে চিহ্নিত করার প্রবণতা দীর্ঘদিনের। সময়ের সঙ্গে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ক্ষমতার সমীকরণ বদলালেও এই…
মেলবোর্ন, ১৪ ডিসেম্বর- আজ ১৪ ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসে এটি একটি মর্মান্তিক দিন। বিজয়ের প্রাক্কালে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারানোর দুঃসহ স্মৃতিকে স্মরণ করতে রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন।
সকাল ৭টা ৩ মিনিটে রাষ্ট্রপতি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। এরপর সকাল ৭টা ২২ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও ফুল অর্পণ করে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে নীরব প্রার্থনা ও শ্রদ্ধা জানান। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল সালাম দেয় এবং স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে করুণ সুরে বাজে বিউগল। প্রধান উপদেষ্টা শহীদ বুদ্ধিজীবীর পরিবারের সদস্য, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, প্রধান বিচারপতি ও উপদেষ্টা পরিষদের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর বাণীতে বলেন, “বুদ্ধিজীবীরা একটি জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির অন্যতম রূপকার। মুক্তবুদ্ধির চর্চা, সৃজনশীল কর্মকাণ্ড, উদ্ভাবনী ক্ষমতা ও গণতান্ত্রিক চেতনার মাধ্যমে তারা একটি জ্ঞাননির্ভর সমৃদ্ধ জাতি গঠনে অবদান রাখেন। তাই পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে থাকা হানাদার বাহিনী তাদের মেধাশূন্য করতে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়।”
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাণীতে বলেন, “বিজয়ের প্রাক্কালে হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা দেশের মেধাবী সন্তানদের নির্মমভাবে হত্যা করে। এ নৃশংস হত্যাযজ্ঞের মূল উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতার দ্বারপ্রান্তে থাকা বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করে একটি ব্যর্থ জাতিতে পরিণত করা। শহীদ বুদ্ধিজীবীরা স্বপ্ন দেখেছিলেন গণতান্ত্রিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার।”
আজকের দিনটি শুধু স্মরণীয় নয়, এটি বাঙালি জাতির ইতিহাসে স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগী বুদ্ধিজীবীদের প্রতি অমোঘ শ্রদ্ধা ও গভীর প্রার্থনার প্রতীক হিসেবে পালন করা হচ্ছে। সারাদেশে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে, পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রদর্শনীসহ নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au