সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল হক মারা গেছেন
মেলবোর্ন, ৫ এপ্রিল- মানিকগঞ্জ-১ (দৌলতপুর-ঘিওর-শিবালয়) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম আনোয়ারুল হক আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে…
মেলবোর্ন, ১৬ ডিসেম্বর- মরক্কোর আটলান্টিক উপকূলীয় প্রদেশ সাফিতে প্রবল বর্ষণের ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় অন্তত ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার দেশটির কর্তৃপক্ষ হতাহতের এই সংখ্যা নিশ্চিত করেছে। ভয়াবহ এই বন্যায় বহু মানুষ আহত হয়েছেন এবং নগরজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।
কর্তৃপক্ষের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, আহত ১৪ জন এখনো বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং তারা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসা পাচ্ছেন। নিহতদের অধিকাংশই বন্যার পানিতে ভেসে যাওয়া কিংবা ঘরবাড়িতে আটকে পড়ার সময় প্রাণ হারান বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
রবিবার ভারী বৃষ্টিপাতে বন্দরনগরী সাফির পুরনো শহরাঞ্চলের বড় অংশ প্লাবিত হয়। হঠাৎ নেমে আসা পানিতে বহু বাড়ি ও দোকান তলিয়ে যায়, রাস্তায় থাকা গাড়ি ভেসে যায় এবং শহরসহ আশপাশের এলাকায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। রাজধানী রাবাত থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত এই শহরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং প্লাবিত এলাকা পরিষ্কারের কাজ চলায় সোমবার সাফি শহরের সব স্কুল বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় কর্তৃপক্ষ। জরুরি সেবাদানকারী সংস্থাগুলো উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করে এবং দুর্গত এলাকাগুলোতে নৌকা ব্যবহার করে আটকে পড়া মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।
স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে পুরনো শহরের জলমগ্ন সড়ক, পানিতে ডুবে থাকা গাড়ি এবং কাদামাটিতে আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধারের দৃশ্য দেখা যায়। একটি ভিডিওতে সাফির প্রাচীন একটি ফটকের কাছে বন্যার পানিতে আটকে পড়া এক নারীকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নেওয়ার ঘটনাও ধরা পড়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অন্তত ৭০টি বাড়ি ও দোকান এই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিদ্যুৎ ও পানির সরবরাহ পুনরুদ্ধারে কাজ চলছে, পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য জরুরি সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সাত বছরের দীর্ঘ খরার পর মরক্কো বর্তমানে ভারী বৃষ্টি ও অ্যাটলাস পর্বতমালায় তুষারপাতের মুখে পড়েছে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এই আকস্মিক আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে এর আগে প্রায় শূন্য হয়ে পড়া জলাধারগুলোতে পানি ফিরলেও, একই সঙ্গে বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকিও বেড়ে গেছে।
সুত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au