চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ১৯ ডিসেম্বর- ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদির মৃত্যু এবং এর পরবর্তী সময়ে রাজধানীতে সংঘটিত মব সন্ত্রাসের ঘটনায় সরকারকে দায়ী করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এ ধরনের সহিংসতা পুরো জাতিকে বিভক্ত করছে এবং এর সম্পূর্ণ দায় বর্তমান সরকারের।
শুক্রবার ভোরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মির্জা ফখরুল দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সব পক্ষকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি সরকারের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বানও জানান।
স্ট্যাটাসে মির্জা ফখরুল লেখেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ এবং দেশের প্রতিটি নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। তিনি বলেন, শহীদ হাদির মৃত্যুতে যখন শোকার্ত জাতি তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছে, ঠিক সেই সময় ডেইলি স্টার, প্রথম আলোসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং বরেণ্য সাংবাদিক নূরুল কবীরসহ আরও অনেকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলাকে তিনি হীন সন্ত্রাস বলে উল্লেখ করেন এবং এর তীব্র প্রতিবাদ জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, সরকারকে এসব ঘটনার পুরো দায়িত্ব নিতে হবে। হাদির হত্যাকারীদের বিচার যেমন নিশ্চিত করতে হবে, তেমনি প্রতিটি মব সন্ত্রাসের সঙ্গেও জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
তিনি আরও বলেন, গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন ধরনের মব সন্ত্রাস জাতিকে বিভক্ত করে ফেলেছে। তার ভাষায়, স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকারের পতনের পর নতুন সরকারের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব ছিল জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলা। কিন্তু সে জায়গায় সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
স্ট্যাটাসের শেষাংশে মির্জা ফখরুল সব রাজনৈতিক ও সামাজিক পক্ষকে দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান এবং অনতিবিলম্বে সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
উল্লেখ্য, সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি বৃহস্পতিবার সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ওই দিন রাতেই রাজধানীতে সহিংস বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ কারওয়ান বাজারে গিয়ে প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। পরে তারা ফার্মগেটে অবস্থিত ডেইলি স্টার ভবনে গিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
এ ছাড়া একই রাতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের ভাঙা বাড়ি এবং ছায়ানট ভবনেও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au