আরব আমিরাতের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। শনিবার দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)…
মেলবোর্ন, ২০ ডিসেম্বর- ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় দুপুর ২ টায় জানাজার নামাজ ইমামতি করেন তার বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক। এরপর বিকেলে তার মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধি চত্বরে দাফন করা হয়।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে শুরু হওয়া জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা এবং লাখো সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। ওই সকালেই হাদির মরদেহের ময়নাতদন্ত সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে সম্পন্ন হয়। পরবর্তীতে মরদেহ হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। সেখানে গোসল সম্পন্ন করার পর সহযোদ্ধা ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে মরদেহ নিয়ে মিছিল আকারে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আনা হয়।
বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধি চত্বরে দাফন করা হয়। বিকেল ৩টার দিকে মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছে, ৩টা ১৫ মিনিটে ফ্রিজার ভ্যান থেকে কবর দেওয়ার জন্য বের করা হয়। ৩টা ২০ মিনিটে পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধারা দাফন সম্পন্ন করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানাজায় অংশ নিয়ে বলেন, “ওসমান হাদি, আমরা তোমাকে বিদায় দিতে আসিনি। তুমি আমাদের বুকের ভেতরে আছো। বাংলাদেশ যত দিন টিকে থাকবে, তুমি আমাদের মধ্যে থাকবে। আজকের এই মুহূর্তে কোটি কোটি মানুষ হাদির কথা শোনার জন্য অপেক্ষা করছে। বিদেশে থাকা বাংলাদেশিরাও হাদির কথা জানতে চায়। আমরা এখানে এসেছি সেই প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য যা তুমি আমাদের দিয়েছ। তোমার মানবপ্রেম, মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক, রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে এবং অনুসরণ করতে হবে।”
ওসমান হাদির উপর হামলা ঘটে ১২ ডিসেম্বর। রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স-কালভার্ট রোডে রিকশায় থাকা অবস্থায় তার মাথায় গুলি চালানো হয়। হামলাকারী মোটরসাইকেলে ছিলেন। আহত হাদি ৬ দিন পর, বৃহস্পতিবার, সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে মারা যান। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মরদেহ দেশে আনা হয়।
ওসমান হাদি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। তিনি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন ‘ইনকিলাব মঞ্চ’ শুরু করেন এবং ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছিলেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au