আরব আমিরাতের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। শনিবার দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)…
মেলবোর্ন, ২ জানুয়ারি- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে অ্যাপলের যাত্রা এখন পর্যন্ত খুব একটা আশাব্যঞ্জক ছিল না। কুপারটিনোভিত্তিক এই প্রযুক্তি জায়ান্ট প্রথমবারের মতো ২০২৪ সালের ওয়ার্ল্ডওয়াইড ডেভেলপারস কনফারেন্স (ডাব্লিউ ডাব্লিউ ডি সি)-এ ‘অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স’ উন্মোচনের মাধ্যমে এআই দুনিয়ায় প্রবেশের ঘোষণা দেয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ডিভাইসের জন্য একাধিক এআই ফিচার চালু করা হলেও, সেগুলোর বেশিরভাগই ব্যবহারকারীদের কাছে নতুনত্ব ছাড়া তেমন কার্যকর বলে মনে হয়নি কিংবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানগুলোর তুলনায় পিছিয়ে ছিল।
অন্যদিকে নতুন এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০২৬ সালেই ঘুরে দাঁড়াতে পারে অ্যাপল। তখনই এআই খাতে বড় খেলোয়াড় হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে আইফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি।
২০২৬ সালে অ্যাপলের এআইয়ে বড় প্রত্যাবর্তন
প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইনফরমেশন’ জানিয়েছে, ২০২৬ সাল হবে অ্যাপলের এআই যাত্রার টার্নিং পয়েন্ট।
এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এআই সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও অংশগুলো এরই মধ্যেই গড়ে তুলেছে অ্যাপল, যা তাদের ডিভাইস ও সেবায় বড় পরিসরে এআই প্রয়োগে সহায়ক হবে।
এআই দৌড়ে অ্যাপল ছিল তুলনামূলকভাবে দেরিতে নামা প্রতিষ্ঠান। ২০২২ সালের শেষ দিকে ওপেনএআইয়ের চ্যাটজিপিটি বাজারে আসার পর ২০২৩ সালের শুরুতেই মাইক্রোসফট ও গুগল এই খাতে সক্রিয় হয়। একই সময়ে অ্যানথ্রপিক ও পারপ্লেক্সিটির মতো স্টার্টআপও দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এমনকি অ্যামাজন ও মেটার মতো সতর্ক অবস্থান নেয়া কোম্পানিগুলোও ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ নিজেদের অবস্থান শক্ত করে।
তবে অ্যাপল ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত এআই নিয়ে কোনো বড় ঘোষণা দেয়নি। ‘অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স’ উন্মোচনের পরও ফিচারগুলো বাজারে আসে বছরের শেষ দিকে। রাইটিং টুলস, ইমেজ প্লেগ্রাউন্ড, ক্লিন আপ ও জেনমোজির মতো ফিচার চালু হওয়ার সময় দেখা যায়, প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানিগুলো এরই মধ্যেই আরো উন্নত প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে গেছে।
এছাড়া ওপেনএআইয়ের সঙ্গে অংশীদারিত্ব- যা অ্যাপলের জন্য একেবারেই নতুন পদক্ষেপ- এবং ত্রুটিপূর্ণ এআই নোটিফিকেশন সামারি ফিচার প্রত্যাহার করায় সমালোচনার মুখে পড়ে প্রতিষ্ঠানটি। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিশ্রুত এআই-চালিত নতুন সিরিও এখনো বাজারে আনতে পারেনি অ্যাপল।
ঘুরে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যর্থ ২০২৪ ও ধীরগতির ২০২৫ পেরিয়ে ২০২৬ সালেই বড় পরিবর্তন আসতে পারে। অ্যাপল এরইমধ্যে প্রাইভেট ক্লাউড কম্পিউট (পিসিসি) অবকাঠামো এবং এআই কাজের উপযোগী এনপিইউ-সমৃদ্ধ চিপসেট তৈরি করেছে। পাশাপাশি ওপেনএআই ছাড়াও অ্যানথ্রপিকের সঙ্গে কাজ করছে এবং গুগলের সঙ্গেও আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।
দ্য ইনফরমেশন-এর মতে, অভিজ্ঞ এআই টিম, নতুন অংশীদারিত্ব এবং প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ায় অ্যাপল এখন মূলত নতুন এআই ফিচার ও পণ্য উন্নয়নে মনোযোগ দিতে পারবে।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০২৬ সালের বসন্তে বহু প্রতীক্ষিত নতুন সিরি উন্মোচনের মাধ্যমেই অ্যাপলের এআই পুনর্জাগরণ শুরু হবে। তবে সিরির পরবর্তী রোডম্যাপ কতটা সফল হবে, তা দেখার জন্য প্রযুক্তি বিশ্বকে অপেক্ষা করতেই হবে।
সূত্র: গেজেট ৩৬০
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au