নিখোঁজের চারদিন পর বন্ধ ঘর থেকে উচ্ছ্বাস কর্মকারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
মেলবোর্ন, ২২ জুলাই- চার দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন ভাড়া বাসা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) গভীর রাতে…
মেলবোর্ন, ৫ জানুয়ারি- রাজধানীর গুলশানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাসভবনের সামনে থেকে সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ ও চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্স (সিএসএফ)। রোববার (৪ জানুয়ারি) সকালে পৃথক সময়ে তাদের আটক করা হয়।
গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান জানান, সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়ির সামনে মো. রুহুল আমিন (৪৬) নামের এক ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। তিনি তারেক রহমানের বাসভবন ও আশপাশে থাকা গাড়ির বিভিন্ন দিক থেকে ছবি তুলছিলেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ ও সিএসএফ সদস্যরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুহুল আমিনের বক্তব্যে অসংলগ্নতা পাওয়া গেলে তাকে আটক করা হয়। তার বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এর কিছুক্ষণ পর, বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে একই বাসভবনের সামনে থেকে মো. ওমর ফারুক নামের আরেক ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। দেহ তল্লাশির সময় তার কাছ থেকে দুই পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়। তবে তার বিস্তারিত পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৭ বছর যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত জীবন কাটানোর পর গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে অবস্থান করছেন।
বাড়িটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে বরাদ্দ ছিল। ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে বাড়িটি খালেদা জিয়াকে বরাদ্দ দেওয়া হয়। কয়েক মাস আগে বাড়িটির দলিল হস্তান্তর সম্পন্ন হওয়ার পর সংস্কার শেষে সেখানে বসবাস শুরু করেন তারেক রহমান।
ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au