চার বছর পর সন্তানদের নিয়ে ব্রিটেনে ফিরছেন হ্যারি, তবে উইলিয়ামের সঙ্গে দূরত্ব এখনো অটুট
মেলবোর্ন, ২০ জুন- দীর্ঘ চার বছর পর স্ত্রী মেগান মার্কেল ও দুই সন্তান প্রিন্স আর্চি এবং প্রিন্সেস লিলিবেটকে নিয়ে নিজ দেশ যুক্তরাজ্যে ফিরতে যাচ্ছেন প্রিন্স…
মেলবোর্ন, ২৪ জানুয়ারি- বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীর এক নির্বাচনি জনসভায় দেওয়া একটি বক্তব্য ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র আলোচনা তৈরি হয়েছে। জনসভায় বক্তব্য রাখা এক ব্যক্তি দাবি করেন, মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ এই দেশে কোনো বিধর্মী বা অশোভনীয় সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না।
ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরুর প্রথম দিন রাতে। বরগুনার বামনা উপজেলার ডৌয়াতলা স্কুল মাঠে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ওই জনসভায় আফজাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি এ বক্তব্য দেন। আয়োজকদের দাবি, বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন।
ভাষণে আফজাল হোসেন বলেন, ‘আপনারা কি আল-কোরআন চান, না বেদায়াত চান? আল-কোরআন যদি চান, তাহলে জামায়াতে ইসলামী সংসদীয় শাসনতন্ত্র কায়েম করবে। সংসদে দাঁড়িয়ে তারা বলবে—এই দেশ মুসলমানের দেশ। যেখানে ৮০ শতাংশ মানুষ মুসলমান, সেখানে কোনো দিন বিধর্মী বা অশোভনীয় সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না। সংবিধান থাকতে পারে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘কী শাসন থাকবে? আল্লাহর কোরআনের শাসন থাকবে। আজ যদি চুরি করলে হাত কেটে দেওয়া হয়, তাহলে আর চুরি থাকবে না। আমরা সেই শাসন চাই।’
এ সময় তিনি জামায়াত মনোনীত প্রার্থীকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনার কোনো চিন্তা নেই ইনশাআল্লাহ। মানুষ বুঝতে পেরেছে ধর্ম কী, ন্যায় কী, আদর্শ কী।’
বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সমালোচনার মুখে পড়ে। এ বিষয়ে আফজাল হোসেনের প্রতিক্রিয়া জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমদ বলেন, আফজাল হোসেন তাদের দলের পুরোনো কেউ নন। তিনি বলেন, ‘তিনি নতুন মানুষ। কালই আমাদের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে। তিনি ওই এলাকার রিটায়ার্ড একজন মুরুব্বি। আবেগে কিছু বলে ফেলেছেন। বলার পর আমাদের করার কিছু থাকে না।’
ডা. সুলতান আহমদ আরও বলেন, জামায়াত বা তাদের শীর্ষ নেতাদের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। ‘আমার বক্তৃতা দেখলে বোঝা যাবে, আমি কারও নামও নেইনি, বিরোধী দলের কথাও বলিনি,’ বলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াতে যোগদান একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হয়, নির্বাচনের সময় তাৎক্ষণিকভাবে এমন যোগদান কার্যকর হয় না।
এ বিষয়ে বামনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. পলাশ আহমেদ বলেন, বিষয়টি তারা পরে জানতে পেরেছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au