ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফুল দিতে এসে গ্রেপ্তার ৪, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফুল দিতে এসে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন চারজন। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দিয়ে আদালতে…
মেলবোর্ন, ২৭ জানুয়ারি- বাংলাদেশের একজন সরকারি কর্মকর্তা বলেছেন, ভারতবিরোধী ও হিন্দুবিরোধী বক্তব্য অনেক রাজনৈতিক নেতার জন্য কার্যকর কৌশলে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামি এই অবস্থান থেকে রাজনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। ওই কর্মকর্তার আশঙ্কা, সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে।
বাংলাদেশের বহু হিন্দু এখনো আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। সহিংসতা বাড়লে তারা দেশ ছাড়ার কথা ভাবতে পারেন এবং এর ফলে বড় ধরনের দেশত্যাগের ঘটনা ঘটতে পারে। এতে সীমান্তে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হবে, যা জামায়াত-সমর্থিত মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নাজুক অবস্থায় রয়েছে বলে ওই কর্মকর্তা উল্লেখ করেন।
দেশটিতে সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন নতুন কোনো বিষয় নয়। এটি দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। তবে কর্মকর্তাদের মতে, এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। এটি আর শুধু নিপীড়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা সরাসরি ভোটব্যাংক রাজনীতির অংশ হয়ে উঠেছে।
সংখ্যালঘুদের পদ্ধতিগতভাবে লক্ষ্যবস্তু করার এই প্রবণতা এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন দেশের বিভিন্ন মহল থেকে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি উঠছে। একই সঙ্গে সংবিধানভিত্তিক শাসনব্যবস্থার বিরোধিতাও জোরালো হচ্ছে।
শরিয়াহ আইন বাস্তবায়নের দাবিও ক্রমেই জোরালো হয়ে উঠছে। এমন উত্তপ্ত রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশে বাংলাদেশে বসবাসকারী সংখ্যালঘুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বলছেন, গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হলেও সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা কম। বরং নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিপীড়ন বহুগুণে বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন ওই কর্মকর্তা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au