‘সমাজ সংস্কার’-এর নামে গ্রামে নোটিশ জারি গানবাজনা বন্ধের ঘোষণা
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার একটি গ্রামে ‘সমাজ সংস্কার’-এর কথা বলে গানবাজনা ও বাদ্যযন্ত্র বাজানো নিষিদ্ধ ঘোষণা করে নোটিশ জারি করেছিল স্থানীয় একটি জামে…
মেলবোর্ন, ১ ফেব্রুয়ারি- চলতি বছর বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ আয়োজনকে সামনে রেখে অস্ট্রেলিয়ার উত্তরাঞ্চলে ক্রিকেট ফেরানোর পরিকল্পনা জোরালো হচ্ছে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, সিরিজের দুটি টেস্ট ডারউইন ও নর্থ কুইন্সল্যান্ডের ভেন্যুগুলোতে আয়োজনের ব্যাপারে তারা আগ্রহী। এতে প্রায় ২২ বছর পর ডারউইনে আবারও টেস্ট ক্রিকেট ফেরার বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
এরই মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরেছে ডারউইনে। টিআইও স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচগুলোতে খেলোয়াড়দের সন্তুষ্টির কথাও জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট কর্তৃপক্ষ। সামনের শীতে সেখানে আরও আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের সূচি রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া সফরে এলে ‘টপ এন্ডে’ দুটি টেস্ট খেলানোর পরিকল্পনা করছে সিএ।
ডারউইনের পাশাপাশি ম্যাকাই, কেয়ার্নস ও টাউনসভিলকে সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ২০০৪ সালের পর অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম শীতকালীন টেস্টও হবে এই সিরিজে। তবে সিরিজটি একাধিক রাজ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা থাকায় ডারউইন একটি টেস্ট পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছে বলে মনে করা হচ্ছে।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী টড গ্রিনবার্গ বলেন, “বিভিন্ন অঞ্চলে ম্যাচ আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত করাই তাদের লক্ষ্য।”
ডারউইনের কন্ডিশন ও আবহাওয়াকে তিনি বড় সুবিধা হিসেবে উল্লেখ করেন এবং স্থানীয় সরকারের আগ্রহের কথাও জানান।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ডারউইনে সর্বশেষ টেস্ট হয়েছিল ২০০৪ সালে। এরপর দীর্ঘ সময় শহরটি মূলত আন্তর্জাতিক সূচির বাইরে ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের ম্যাচ ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি আয়োজনের মধ্য দিয়ে ডারউইন আবার আলোচনায় এসেছে।
নর্থ কুইন্সল্যান্ডে ম্যাকাইকেও আধুনিক আঞ্চলিক ভেন্যু হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেখানে টেস্ট হলে সেটি হবে শহরটির ইতিহাসে প্রথম। অন্যদিকে কেয়ার্নস ও টাউনসভিলও বিকল্প হিসেবে থাকলেও অবকাঠামোগত কিছু সীমাবদ্ধতায় তারা কিছুটা পিছিয়ে।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া মনে করছে, উত্তরাঞ্চলে শীতকালীন আন্তর্জাতিক ম্যাচ বাড়ানো গেলে মৌসুম দীর্ঘ করা যাবে এবং গ্রীষ্মকালীন সূচির চাপও কমবে। সেই পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতেই রয়েছে ২০২৬ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে সম্ভাব্য এই টেস্ট সিরিজ।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au