মহানবীকে কটূক্তির অভিযোগে হিন্দু যুবক গ্রেপ্তার
মেলবোর্ন, ২২ এপ্রিল- খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তির অভিযোগে শ্যামল গাইন (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার…
মেলবোর্ন, ৩ ফেব্রুয়ারি- ঐতিহাসিক শহর কাসার এল-কেবির থেকে ৫০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই সংখ্যা শহরটির মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতা স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, কাসার এল-কেবির শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত লুক্কোস নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়ে আশপাশের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হতে শুরু করেছে। নদীর পানি দ্রুত শহরের দিকে ঢুকে পড়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের বন্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শহরে নতুন করে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে প্রশাসন। তবে জরুরি প্রয়োজনে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে বাসিন্দাদের শহর ত্যাগের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা হিশাম আজতু জানিয়েছেন, কাসার এল-কেবির এখন প্রায় জনশূন্য শহরে পরিণত হয়েছে। দোকানপাট, বাজার এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। অনেক মানুষ নিজের উদ্যোগেই শহর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। যাঁরা যেতে পারেননি, তাঁদের প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বন্যার ঝুঁকি বাড়তে থাকায় শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে স্কুলগুলোও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শহরের বাইরে এবং তুলনামূলক উঁচু এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্র ও অস্থায়ী শিবির স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে সরিয়ে নেওয়া মানুষদের খাবার, পানি ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শহরের কাছেই অবস্থিত উয়েদ মাখাজিন বাঁধ ইতোমধ্যে পুরোপুরি ভরে গেছে। বাঁধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত পানি ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। এই পানি লুক্কোস নদীতে গিয়ে বন্যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে নদীতীরবর্তী এলাকা এবং শহরের নিম্নাঞ্চলগুলোতে ঝুঁকি আরও বেড়েছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় মরক্কোর সেনাবাহিনী সরাসরি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে নেমেছে। সেনাসদস্যদের পাশাপাশি চিকিৎসক দল, উদ্ধারকারী যান, ট্রাক ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে। বাস ও ট্রাকের মাধ্যমে মানুষজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়া হচ্ছে। কিছু এলাকায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় হেলিকপ্টারের সাহায্যে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে কেবল কাসার এল-কেবিরই নয়, মরক্কোর অন্যান্য এলাকাতেও নদীর পানি বিপৎসীমার দিকে যাচ্ছে। সেবু নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সিদি কাসেম অঞ্চলের কয়েকটি গ্রাম থেকেও বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেখানে বন্যা পরিস্থিতি যাতে আরও ভয়াবহ আকার না নেয়, সে জন্য আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মরক্কো টানা সাত বছর ধরে তীব্র খরার মুখে ছিল। চলতি বছর ভারী বৃষ্টিপাতে সেই খরা অনেকটাই কেটেছে। তবে অতিবৃষ্টির ফলে এখন নতুন করে বন্যা, নদীভাঙন ও বাঁধ উপচে পড়ার মতো সংকট দেখা দিয়েছে। কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজন হলে আরও বড় পরিসরে মানুষ সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au