শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান কমিটির পদত্যাগ
মেলবোর্ন, ২৯ এপ্রিল- সরকারের নির্দেশনার পর পদত্যাগ করেছেন শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড–এর বর্তমান কমিটির সদস্যরা। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিশেষ সভা ডেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান…
মেলবোর্ন, ১৪ফেব্রুয়ারি- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই শতাধিক আসনে জয় পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দলীয় ঘোষণার অনুযায়ী, চেয়ারম্যান তারেক রহমানই হচ্ছেন দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। তিনি ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন।
৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শেরপুর-৩ আসনে প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট স্থগিত রয়েছে। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের মাধ্যমে চতুর্থবারের মতো সরকার গঠনের পথে বিএনপি। এর আগে দলটি ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সরকার গঠন করেছিল।
নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে নির্বাচন কমিশন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করবে। এরপর সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন। সংসদ গঠনের পর সংখ্যাগরিষ্ঠ দল সংসদ নেতা নির্বাচন করবে এবং তিনি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তখন রাষ্ট্রপতি তাঁকে সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানাবেন।
সংবিধানের ৫৫ ও ৫৬ অনুচ্ছেদে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা গঠনের প্রক্রিয়া নির্ধারিত আছে। ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি সেই সংসদ সদস্যকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন, যিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন। সাধারণত সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রধানই এ দায়িত্ব পান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রধানকে সরকার গঠনের আহ্বান জানানো হবে এবং রাষ্ট্রপতির শপথ পাঠের মধ্য দিয়ে নতুন সরকার দায়িত্ব নেবে।
আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, গেজেট প্রকাশের পর যত দ্রুত সম্ভব সংসদ সদস্যদের শপথের আয়োজন করা হবে। এরপরই নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে।
সরকারি সূত্র বলছে, ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ হতে পারে। তার পরবর্তী দুদিনের মধ্যে, অর্থাৎ ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মন্ত্রিসভার শপথের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠন সম্পন্ন হতে পারে। রমজানের আগেই ক্ষমতা হস্তান্তরের লক্ষ্য রয়েছে।
বঙ্গভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন প্রথমে প্রধানমন্ত্রীকে এবং পরে অন্যান্য মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ অনুষ্ঠানটির দাপ্তরিক আয়োজন সম্পন্ন করবে।
নির্বাচনের আগে বিএনপি জানিয়েছিল, তারা এককভাবে সরকার গঠন করলেও আন্দোলনের অংশীদারদের নিয়ে একটি জাতীয় সরকার গঠন করবে। শুক্রবার ঠাকুরগাঁওয়ে বক্তব্যে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যারা সঙ্গে ছিল, তাদের নিয়েই সরকার গঠন করা হবে।
দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদও জানিয়েছেন, এটি সংসদে থাকা সব দলের সমন্বয়ে সর্বদলীয় সরকার নয়; বরং ঐকমত্যের ভিত্তিতে আন্দোলনের শরিকদের নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করা হবে।
নির্বাচনী ফলাফলের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে সংবিধান অনুযায়ী দ্রুত নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে ক্ষমতার পালাবদল সম্পন্ন হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au