চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ২৫ ফেব্রুয়ারি- অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাবেক সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে পৃথক দুই ধারায় মোট ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইনে অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে সম্রাটকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ১০ মাস কারাভোগ করতে হবে।
এ ছাড়া মানি লন্ডারিংয়ের দায়ে তাকে আরও ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ অর্থদণ্ড অনাদায়ে ছয় মাসের অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, দুটি ধারার সাজা একটির পর একটি কার্যকর হবে। ফলে তার মোট কারাদণ্ড দাঁড়াচ্ছে ২০ বছর।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর দুদকের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, সম্রাট ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর দুদক আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে ২১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। গত ২ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়। সম্রাট পলাতক থাকায় তার আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি হয়নি বলে আদালত সূত্র জানিয়েছে। সব সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় দেন।
এর আগে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের সময় কুমিল্লা থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী যুবলীগ নেতা এনামুল হক ওরফে আরমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে র্যাবের অভিযানে তার বিরুদ্ধে বিদেশি পিস্তল, ইয়াবা, বিদেশি মদ, ক্যাঙ্গারুর চামড়া ও বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম উদ্ধারের তথ্য জানানো হয়। ওই সময় বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) আইনে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি মাদক ও অস্ত্র আইনে ঢাকার রমনা থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ২০২৫ সালের ১৭ জুলাই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। একই সঙ্গে তার জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত অবৈধ সম্পদ ও অর্থ পাচারের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডাদেশ দেন।
রায়ে সম্রাটের অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের এই রায়ের মাধ্যমে বহুল আলোচিত এ মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au