সাংবাদিক রেজানুরের গ্রেফতারে কিউআরএস’র উদ্বেগ
মেলবোর্ন, ২২ জুন- স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক ও দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোহাম্মদ রেজানুর ইসলামের গ্রেফতার…
মেলবোর্ন, ২২ জুন-লেবাননের সঙ্গে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি এখনো অনিশ্চিত ও ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর প্রধান অব স্টাফ জেনারেল ইয়াল জামির। তিনি সেনাবাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, প্রয়োজন হলে দ্রুত আবারও সামরিক অভিযান শুরু করতে হবে।
রোববার দক্ষিণ লেবাননে মোতায়েন ইসরায়েলি সেনাদের উদ্দেশে দেওয়া এক বক্তব্যে জেনারেল ইয়াল জামির বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি যে কোনো সময় পরিবর্তিত হতে পারে। তাই সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও যুদ্ধ প্রস্তুতি বজায় রাখতে হবে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জামির বলেন, ‘হিজবুল্লাহ গুরুতর ও উল্লেখযোগ্য ধাক্কার মুখে পড়েছে। তবে সংগঠনটি যাতে পুনর্গঠিত হতে না পারে, সে জন্য আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। প্রয়োজন হলে আবারও শক্তিশালী সামরিক অভিযান চালাতে আমরা প্রস্তুত।’
তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক সংঘাতে হিজবুল্লাহর সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সংগঠনটি বর্তমানে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তবে ইসরায়েলি বাহিনীকে সম্ভাব্য সব ধরনের নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে।
জেনারেল জামির আরও বলেন, সীমান্ত এলাকায় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারের পাশাপাশি সেনাদের দ্রুত আক্রমণাত্মক অভিযানে ফিরে যাওয়ার সক্ষমতাও ধরে রাখতে হবে। কারণ পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও হুমকি পুরোপুরি দূর হয়নি।
এদিকে দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং সামরিক অভিযান পুরোপুরি বন্ধ করার জন্য তেল আবিবের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ ক্রমেই বাড়ছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পক্ষ যুদ্ধবিরতির শর্ত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে আসছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় চলমান আঞ্চলিক কূটনৈতিক আলোচনায় ইরানও লেবানন প্রসঙ্গকে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে সামনে এনেছে। তেহরান তাদের মিত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর স্বার্থে লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি বাহিনী সরিয়ে নেওয়ার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তে উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হুমকি, সামরিক প্রস্তুতি এবং আঞ্চলিক শক্তিগুলোর অবস্থানের কারণে পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত স্পর্শকাতর রয়ে গেছে।
তাদের মতে, সীমান্তে কোনো ছোট ঘটনা বা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডও নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের সূত্রপাত ঘটাতে পারে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তপ্ত সীমান্তে শান্তি প্রতিষ্ঠা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
সূত্র : আল জাজিরা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au