ইরান কেন বাংলাদেশি জাহাজকে হরমুজ প্রণালি পার হতে দিচ্ছে না
মেলবোর্ন, ২২ এপ্রিল- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালিতে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে ইরান, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের জাহাজ চলাচলে। ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোরের…
সিরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী এবং ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের অনুগতদের মধ্যে দুই দিনের সংঘর্ষে ১,০০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। সিরিয়ায় সংঘাত রোববার রাত পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ফারুক আল-শারা দামেস্কের একটি মসজিদে ভাষণ দিয়ে বলেছেন, “আমাদের জাতীয় ঐক্য ও নাগরিক শান্তি বজায় রাখতে হবে।” তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা এই দেশে একসাথে বসবাস করতে সক্ষম, যতটা সম্ভব।”
যুক্তরাষ্ট্র রোববার সিরিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে বলেন, “মৌলবাদী ইসলামিস্ট সন্ত্রাসী, যার মধ্যে বিদেশী জিহাদিরাও রয়েছে, তারা সিরিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে মানুষ হত্যা করেছে।” তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং অন্তর্বর্তীকালীন কর্তৃপক্ষকে এই হত্যাকাণ্ডের দায়ীদের জবাবদিহি করতে হবে।”
গত ডিসেম্বরে আলাওয়াইট সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত বাশার আল-আসাদের পতনের পর থেকে এই সংঘাত সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতার ঘটনা। সুন্নি ইসলামিস্ট মিলিট্যান্টরা দেশের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কাঠামো পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলবর্তী লাতাকিয়া ও তারতুস অঞ্চলে আলাওয়াইট সম্প্রদায়ের মধ্যে আসাদের জন্য ব্যাপক সমর্থন ছিল। আলাওয়াইটরা, যারা সিরিয়ার মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০%, আসাদ শাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ডিসেম্বরের পর অনেক আলাওয়াইট অস্ত্র সমর্পণ করলেও অনেকেই তা করেনি।
এই সহিংসতা সিরিয়ার নতুন সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। লাতাকিয়া ও তারতুসের মতো অঞ্চলে সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের ভঙ্গুর পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। এই সংঘাত সিরিয়ার ভবিষ্যৎ এবং নতুন সরকারের সামনে থাকা চ্যালেঞ্জগুলিকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au