‘সমাজ সংস্কার’-এর নামে গ্রামে নোটিশ জারি গানবাজনা বন্ধের ঘোষণা
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার একটি গ্রামে ‘সমাজ সংস্কার’-এর কথা বলে গানবাজনা ও বাদ্যযন্ত্র বাজানো নিষিদ্ধ ঘোষণা করে নোটিশ জারি করেছিল স্থানীয় একটি জামে…
মেলবোর্ন, ৩ মার্চ- বিদায়ি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে তার দায়িত্ব হস্তান্তরের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। এর ফলে দায়িত্ব শেষ হওয়ার পরও তিনি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় থাকবেন।
এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন গত ১০ ফেব্রুয়ারি জারি করা হয়। তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লা পান্নার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনটি সম্প্রতি জনসম্মুখে প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়, বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইনের ক্ষমতাবলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে দায়িত্ব হস্তান্তরের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
তবে বিষয়টি ঘিরে আইনি ও রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক শুরু হয়েছে। জানা গেছে, ২০০৬ সালের ২৯ অক্টোবর জারি করা একটি আদেশ সংশোধনের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। ওই আদেশে বলা হয়েছিল, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে স্ব স্ব পদে কর্মবসানের তারিখ থেকে এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতাকে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যভার গ্রহণের তারিখ থেকে দেশের অভ্যন্তরে সর্বোচ্চ তিন মাস ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করা যাবে।
নতুন সংশোধনের মাধ্যমে অধ্যাপক ইউনূসের ক্ষেত্রে এই সময়সীমা এক বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে পূর্বের আদেশে উল্লেখিত অন্যান্য পদাধিকারীদের জন্য সময়সীমা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সমালোচকদের মতে, এখানেই মূল প্রশ্নটি তৈরি হয়েছে, আইনের পরিবর্তন কি কেবল একজন ব্যক্তির জন্য করা হয়েছে?
কয়েকজন আইন বিশেষজ্ঞের মন্তব্য, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সুবিধা দিতে আইন প্রণয়ন বা সংশোধন করা সংবিধানের মৌলিক নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাদের ভাষ্য, আইন হতে হবে সমভাবে প্রযোজ্য ও নীতিগতভাবে নিরপেক্ষ। যদি বিদায়ী রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পদাধিকারীর ক্ষেত্রেও সমানভাবে সময়সীমা বৃদ্ধি করা হতো, তাহলে বিষয়টি ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা যেত। কিন্তু কেবল একজনের জন্য ব্যতিক্রমী বিধান রাখায় তা নৈতিক ও সাংবিধানিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
সমালোচকদের আরও দাবি, অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্ব%E
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au