‘সমাজ সংস্কার’-এর নামে গ্রামে নোটিশ জারি গানবাজনা বন্ধের ঘোষণা
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার একটি গ্রামে ‘সমাজ সংস্কার’-এর কথা বলে গানবাজনা ও বাদ্যযন্ত্র বাজানো নিষিদ্ধ ঘোষণা করে নোটিশ জারি করেছিল স্থানীয় একটি জামে…
মেলবোর্ন, ৪ মার্চ- ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই-এর মৃত্যুর পর দেশের নেতৃত্ব দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনেই। সূত্রের খবর, মোজতবা খামেনেইকে (Mojtaba Hosseini Khamenei) আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের পরবর্তী সুপ্রিম লিডার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
অর্পিতা দাশগুপ্ত-এর প্রতিবেদনে জানা গেছে, মোজতবা খামেনেই একজন মধ্যম পর্যায়ের ধর্মীয় আলেম এবং ইরান-ইরাক যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি পর্দার আড়ালে উল্লেখযোগ্য প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করেছেন এবং সুপ্রিম লিডারের অফিস পরিচালনায় অভিজ্ঞ। রেভল্যুশনারি গার্ডের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কও রয়েছে।
তবে এই নির্বাচন নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কারণ খামেনেই নিজেই চাইতেন বংশানুক্রমে ক্ষমতা না দিয়ে ধর্মীয় নেতাদের মাধ্যমে দেশ পরিচালিত হোক। তিনি তিনজন সম্ভাব্য উত্তরসূরীর তালিকাও তৈরি করেছিলেন, কিন্তু সেই তালিকায় মোজতবা খামেনেইর নাম ছিল না।
সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, মোজতবাকে সমর্থন দেওয়ার ক্ষেত্রে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (IRGC) প্রভাব ছিল। সংস্থাটি ধর্মীয় নেতাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে মোজতবাকে নির্বাচনে এগিয়ে এনেছে।
ইরানের প্রশাসন জানিয়েছে, খামেনেইর মৃত্যু (Israel-US Strikes-এ নিহত) এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হওয়ার পর নতুন নেতার নির্বাচনে রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়েছে।
ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ নেতা রাষ্ট্রের সব চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখেন। রাষ্ট্রীয় নীতি, সেনাবাহিনী, এবং রেভল্যুশনারি গার্ড—সবকিছুর সর্বশেষ সিদ্ধান্ত তাঁর হাতেই থাকে।
গত রবিবার খামেনেইর মৃত্যুর পর অন্তর্বর্তী সুপ্রিম লিডার হিসেবে আলিরেজা আরাফি (Alireza Arafi) দায়িত্ব পান। কয়েক দিনের মধ্যেই মোজতবা খামেনেইকে দেশের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, খামেনেইর বয়স ও অসুস্থতার কারণে ইরান পূর্ব থেকেই উত্তরাধিকার পরিকল্পনা করছিল। সংবিধান অনুযায়ী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের একমাত্র অধিকার আছে অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টসের হাতে। যদিও পূর্বে সর্বোচ্চ নেতা হতে হলে গ্র্যান্ড আয়াতোল্লা হতে হতো, সংবিধান সংশোধনের পর অপেক্ষাকৃত নিম্নপদস্থ ধর্মীয় নেতারাও এই পদে নির্বাচিত হতে পারেন।
মোজতবা খামেনেই এই পরিবর্তিত নিয়মের ফলে ক্ষমতায় আসতে সক্ষম হয়েছেন, যদিও তিনি গ্র্যান্ড আয়াতোল্লা ছিলেন না। রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং সংবিধানগত পরিবর্তন মিলে তাঁকে এখন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au