২৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ট্যাংকার, আরও আসবে চারটি
মেলবোর্ন, ৯ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর ১০ দিনের মাথায় ২৭ হাজার টনের বেশি ডিজেল নিয়ে একটি ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার সিঙ্গাপুর থেকে…
মেলবোর্ন, ৯ মার্চ- বাংলাদেশে সাংবাদিকতা শিক্ষার অন্যতম পথিকৃৎ ও বিশিষ্ট শিক্ষক অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান মারা গেছেন। রোববার রাতে রাজধানী ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে তিনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। তখন কয়েক দিন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর তাঁকে বাসায় নেওয়া হয়। কিন্তু রোববার রাতে হঠাৎ আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে সোমবার সকালে অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খানের জানাজা শেষে মরদেহ নেওয়া হবে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার ধানুয়া গ্রামে। সেখানেই পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন করা হবে।
ব্যক্তিগত জীবনে অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে, দুই নাতিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও ছাত্রছাত্রী রেখে গেছেন। তাঁর মেয়ে সুমনা শারমীন জাতীয় দৈনিক প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান ২০০৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। পরে পাঁচ বছর তিনি সেখানে সংখ্যাতিরিক্ত (সুপার নিউমারারি) অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বিভাগটির অনারারি প্রফেসর ছিলেন।
তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-এর সাংবাদিকতা বিভাগের খণ্ডকালীন উপদেষ্টা এবং ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)-এর সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
১৯৪১ সালে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান। শিক্ষকতা পেশায় আসার আগে প্রায় এক দশক তিনি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে সাংবাদিকতা করেছেন।
তিনি কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং সোসাইটি ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট-এর চেয়ারম্যান ছিলেন।
কর্মজীবনে তিনি ১৫টি দেশের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন ইলিনয় ইউনিভার্সিটি-তে ভিজিটিং স্কলার হিসেবে কাজ করেছেন। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জার্নালে তাঁর ৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।
সাংবাদিকতা ও রাজনীতির পারস্পরিক সম্পর্ক ছিল তাঁর গবেষণার অন্যতম প্রধান বিষয়। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল এবং প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর ব্যবস্থাপনা বোর্ডের সদস্য হিসেবেও একাধিকবার দায়িত্ব পালন করেছেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au