বিশ্ব

ইরান সংঘাত নিয়ে ট্রাম্পকে চিঠি

ইরান যুদ্ধে আমাদের জড়াতে কে অনুমতি দিল: বন্ধু ট্রাম্পকে আমিরাতের ধনকুবেরের প্রশ্ন

  • 8:01 pm - March 14, 2026
  • পঠিত হয়েছে:২৩ বার
ইরান সংঘাত নিয়ে ট্রাম্পকে আমিরাতের ধনকুবেরের চিঠি। ছবিঃ সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ১৪ মার্চ- সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী খালাফ আহমদ আল-হাবতুর হঠাৎ করেই আন্তর্জাতিক রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছেন। উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম ধনী উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিত এই ব্যবসায়ীর বিনিয়োগ বিস্তৃত হোটেল শিল্প, বিলাসবহুল আবাসন, শিক্ষা ও নির্মাণ খাতে। তাঁর মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যের বাণিজ্যিক খাতে বড় প্রভাব বিস্তার করে আসছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক তালিকা অনুযায়ী তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার বা তারও বেশি।

তবে খালাফ আহমদ আল-হাবতুরের পরিচয় শুধু ধনকুবের হিসেবে সীমাবদ্ধ নয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর আরেকটি পরিচয় রয়েছে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের বন্ধু। ব্যবসা ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের সূত্রে এই দুই ব্যক্তিত্বের পরিচয় বহু পুরোনো। একসময় দুবাইয়ের বিখ্যাত পাম জুমেইরা এলাকায় একটি ‘ট্রাম্প টাওয়ার’ নির্মাণের পরিকল্পনাও করেছিলেন তারা। নানা রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক জটিলতার কারণে সেই প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়নি। কিন্তু সেই ব্যর্থতা তাঁদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলেনি।

২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেন, তখন খালাফ আহমদ আল-হাবতুর প্রকাশ্যে তাঁর সমর্থন জানান। এমনকি সে সময় তিনি একটি পত্রিকায় কলাম লিখে ট্রাম্পকে একজন কর্মঠ ও দৃঢ়চেতা নেতা হিসেবে আখ্যা দেন।

কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে পরিস্থিতি বদলে গেছে। ইরানকে ঘিরে নতুন করে যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই প্রেক্ষাপটে আল-হাবতুর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে একটি খোলাচিঠি প্রকাশ করেছেন। সেই চিঠিতে তিনি তীব্র ভাষায় প্রশ্ন তুলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় উপসাগরীয় দেশগুলোর কথা কেন বিবেচনা করা হলো না।

চিঠিতে তিনি সরাসরি প্রশ্ন করেন, ইরানের সঙ্গে এই যুদ্ধে আমাদের অঞ্চলকে জড়াতে আপনাকে কে অনুমতি দিয়েছে? কোন ভিত্তিতে এমন গুরুতর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে?

ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে যুক্তরাষ্ট্রের ইরানে হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই এর প্রভাব পড়তে শুরু করে উপসাগরীয় দেশগুলোতে। যুদ্ধের আশঙ্কা এবং আঞ্চলিক অস্থিরতার কারণে অর্থনীতি ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে পুরো অঞ্চলে।

খালাফ আহমদ আল-হাবতুর তাঁর চিঠিতে বলেন, এই যুদ্ধের প্রভাব শুধু একটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। যুদ্ধ যদি দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে উপসাগরীয় দেশগুলোর স্থিতিশীলতা ও অর্থনীতি ভয়াবহ চাপে পড়তে পারে। সেই আশঙ্কা থেকেই তিনি এই চিঠি লিখেছেন বলে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও লিখেছেন, যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এর সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে কি যথেষ্ট চিন্তা করা হয়েছিল? যদি এই সংঘাত আরও বিস্তৃত হয়, তাহলে সবার আগে যে অঞ্চলটি ক্ষতিগ্রস্ত হবে তা হলো উপসাগরীয় অঞ্চল। এখানকার জনগণের অধিকার রয়েছে জানতে, এই যুদ্ধ কি শুধুই যুক্তরাষ্ট্রের একক সিদ্ধান্ত, নাকি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও তাঁর সরকারের চাপের ফল।

ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই নিজেকে শান্তির প্রবক্তা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করে আসছেন। সম্প্রতি তিনি তথাকথিত ‘বোর্ড অব পিস’ নামে একটি উদ্যোগের কথাও ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু আল-হাবতুর সেই উদ্যোগের প্রসঙ্গ টেনে ব্যঙ্গাত্মক সুরে বলেন, শান্তির নামে একটি বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেওয়ার পরপরই কেন এমন একটি যুদ্ধ শুরু হলো, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, শান্তির নামে যে উদ্যোগের কথা বলা হয়েছিল, তার ভবিষ্যৎ কী হলো? শান্তির যে অঙ্গীকার করা হয়েছিল, তা কি শুধু কথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে?

চিঠির এক পর্যায়ে আল-হাবতুর লিখেছেন, যুদ্ধ শুরু করা সহজ, কিন্তু তা কখনোই প্রকৃত নেতৃত্বের প্রমাণ নয়। প্রকৃত নেতৃত্বের পরিচয় পাওয়া যায় প্রজ্ঞা, অন্যের প্রতি সম্মান এবং শান্তির পথে সমাধান খোঁজার মধ্য দিয়ে।

এই চিঠিটি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। কারণ উপসাগরীয় অঞ্চলের শাসক কিংবা বড় ব্যবসায়ীরা সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেন না। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক মূলত বাণিজ্যিক ও কৌশলগত স্বার্থের ওপর নির্ভরশীল।

তাই একজন প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর এমন প্রকাশ্য সমালোচনা অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই আল-হাবতুর এই অবস্থান নিয়েছেন। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের শীর্ষ পর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তাই তাদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া এমন একটি খোলাচিঠি প্রকাশ করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয় বলেই অনেকেই মনে করছেন।

‘নতুন প্রজন্মের’ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইসরায়েলের বিমানবন্দরে ইরানের হামলা, যুক্তরাষ্ট্রের বি-২ বোম্বার ব্যবহার শুরু। ছবিঃ সংগৃহীত

এদিকে যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থনীতি কী ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে, সে বিষয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমও সতর্কতা প্রকাশ করেছে। যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, বর্তমান সংঘাতের কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলে বড় ধরনের অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবের মতো দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন করে পর্যালোচনা করার কথা ভাবছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ওয়াশিংটনের সঙ্গে এসব দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় দুই ট্রিলিয়ন ডলার। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে এসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা কিছু বিনিয়োগ চুক্তি পুনর্বিবেচনার কথাও ভাবতে পারে।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকট বা যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ চুক্তি পরিবর্তনের আইনগত সুযোগ অনেক ক্ষেত্রেই থাকে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, পুরো বিশ্বের জন্যই বহুমাত্রিক সংকট তৈরি করতে পারে। প্রথমত, ইরানের উপকূল ঘেঁষে অবস্থিত হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বে সরবরাহ হওয়া মোট তেল ও গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবহন করা হয়।

বর্তমান সংঘাতের কারণে এই পথ কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। ফলে উপসাগরীয় দেশগুলো, যারা এই পথ ব্যবহার করে তেল ও গ্যাস রপ্তানি করে, তারা সবচেয়ে বড় বিপদের মুখে পড়েছে।

কাতার ইতিমধ্যে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তারা যে পরিমাণ গ্যাস সরবরাহের চুক্তি করেছে, তা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। একই ধরনের পরিস্থিতির কারণে সৌদি আরবও তাদের তেল উৎপাদন কমিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছে।

বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলারেরও বেশি হয়ে যেতে পারে।

দ্বিতীয়ত, তেল সরবরাহ কমে গেলে চীন, ভারত, জাপানসহ বিশ্বের বহু দেশ গুরুতর অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে পারে। এসব দেশের শিল্প ও কৃষি উৎপাদন ব্যাপকভাবে আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল। ফলে জ্বালানি সংকট দেখা দিলে উৎপাদন খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং অনেক দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।

তৃতীয়ত, উপসাগরীয় দেশগুলো তেল ও গ্যাস থেকে অর্জিত আয়ের ওপর ভিত্তি করে বিশাল জাতীয় সম্পদ তহবিল গড়ে তুলেছে। এই তহবিলের মোট পরিমাণ প্রায় চার লাখ কোটি ডলার। যদি তেল ও গ্যাস রপ্তানি ব্যাহত হয়, তাহলে এসব তহবিল আংশিকভাবে গুটিয়ে ফেলতে হতে পারে।

চতুর্থত, ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য অনুযায়ী উপসাগরীয় চারটি দেশের জাতীয় সম্পদ তহবিলের প্রায় দুই লাখ কোটি ডলার যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ করা রয়েছে। যদি এসব বিনিয়োগ প্রত্যাহার করা হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজারেও বড় ধরনের ধাক্কা লাগতে পারে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে বাণিজ্য শুল্ক বৃদ্ধির কারণে আগেই জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে গেছে। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতাও কমে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক চাপ যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, বর্তমান পরিস্থিতি ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময়কার জ্বালানি সংকটের কথা মনে করিয়ে দেয়। সে সময় তেল রপ্তানিকারক দেশগুলো তেল সরবরাহ বন্ধ করে দিলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম কয়েক গুণ বেড়ে যায়। ফলে বিশ্ব অর্থনীতি একদিকে উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং অন্যদিকে নিম্ন প্রবৃদ্ধির দ্বৈত সংকটে পড়ে।

অর্থনীতিবিদেরা এই পরিস্থিতিকে ‘স্ট্যাগফ্লেশন’ নামে অভিহিত করেন। অনেকের আশঙ্কা, বর্তমান সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ব আবার সেই ধরনের সংকটের মুখে পড়তে পারে।

সব মিলিয়ে ইরানকে ঘিরে শুরু হওয়া এই সংঘাত শুধু সামরিক বা রাজনৈতিক নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতি ও কূটনীতির ওপরও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। আর সেই কারণেই উপসাগরীয় অঞ্চলের একজন প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর প্রকাশ্য এই প্রশ্ন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

এই শাখার আরও খবর

অস্ট্রেলিয়ায় ঈদুল ফিতর ২০ মার্চ

মেলবোর্ন, ১৪ মার্চ- আগামী ২০ মার্চ অস্ট্রেলিয়ায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। দেশটির মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এ বছর ঈদুল ফিতরের দিন নির্ধারণ করেছে অস্ট্রেলিয়ার ফতোয়া…

উঠে যাচ্ছে যানবাহনে তেল রেশনিং, পর্যাপ্ত তেল পাবে দূরপাল্লা ও গণপরিবহন

মেলবোর্ন, ১৪ মার্চ- দেশে জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে গণপরিবহনের জন্য তেলের রেশনিং পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম শনিবার…

কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর

মেলবোর্ন, ১৪ মার্চ- জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে তিনি জামিনে…

২৫০০ একরের মেডিটেশন সেন্টার, বিতর্কিত কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে

মেলবোর্ন, ১৪ মার্চ- দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ ঘিরে বেসরকারি সংস্থা কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে কেন্দ্র করে নানা…

ইরানে আড়াই হাজার মেরিন সেনা পাঠাচ্ছে ওয়াশিংটন, সঙ্গে রয়েছে ‘উভচর’ যুদ্ধজাহাজ

মেলবোর্ন, ১৪ মার্চ- ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাতে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। প্রথমবারের মতো প্রায় ২ হাজার ৫০০ মার্কিন মেরিন সেনাকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধক্ষেত্রে…

সালমান আগার রানআউট ঘিরে বিতর্ক, ক্রিকেটের নিয়ম কী বলে

মেলবোর্ন, ১৪ মার্চ- বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে জয়–পরাজয়ের হিসাবের চেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে একটি রানআউট। পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলি আগাকে বাংলাদেশের অলরাউন্ডার…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au