রাশিয়ায় যুদ্ধে গিয়ে নিখোঁজ ২ বাংলাদেশি
মেলবোর্ন, ১৬ জুন- জীবিকার সন্ধানে রাশিয়ায় গিয়ে প্রায় ১৭ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার দুই যুবক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও বার্তাকে…
মেলবোর্ন, ১৫ জুন- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য চূড়ান্ত সমঝোতা চুক্তিকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও আইনি ভিত্তি দিতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন চাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পারমাণবিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে যে চূড়ান্ত চুক্তি হতে যাচ্ছে, সেটি অনুমোদনের জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে উপস্থাপন করা হবে।
সোমবার রাজধানী তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনার ৬০ দিনের সময়সীমা শেষ হলে চূড়ান্ত সমঝোতাটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে চুক্তিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে তেহরান।
ইসমাইল বাঘাই বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আস্থাহীনতার কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে অবিশ্বাসের ইতিহাস দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে ১৯৫৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেগের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ভূমিকা ইরানিদের মনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে।
তার ভাষ্য, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত একটি সরকারকে উৎখাতের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্কের ভিত্তিই নষ্ট হয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই ওয়াশিংটনের প্রতি তেহরানের অবিশ্বাসের সূচনা। তাই নতুন করে আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে।
ইরানি মুখপাত্র আরও জানান, আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। এ উপলক্ষে চলতি সপ্তাহে ইরানের প্রতিনিধিদল মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ সফর করবে এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করবে।
সম্ভাব্য সমঝোতায় লেবাননের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ স্থান পেয়েছে বলে জানান বাঘাই। তিনি বলেন, লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন অন্তর্বর্তী চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ কারণে বৈরুতের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে তেহরান।
বিশ্লেষকদের মতে, চূড়ান্ত চুক্তিকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদনের আওতায় আনার উদ্যোগ ইরানের জন্য কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এতে ভবিষ্যতে কোনো পক্ষ একতরফাভাবে চুক্তি থেকে সরে গেলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জবাবদিহির চাপ বাড়বে এবং চুক্তির স্থায়িত্বও নিশ্চিত হতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au