বিশ্ব

ইরানের ‘শাহেদ’ ড্রোন: সস্তা প্রযুক্তি, ভয়ংকর প্রভাব, কেন বিশ্বজুড়ে এত আলোচনা

ওটিএন বাংলা ডেক্স

  • 7:12 pm - March 17, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৩৮ বার
ইরানের ‘শাহেদ’ ড্রোন।ছবিঃ সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ১৭ মার্চ- বিশ্ব রাজনীতির সাম্প্রতিক অস্থিরতায় একটি অস্ত্রের নাম বারবার উঠে আস ইরানের তৈরি ‘শাহেদ’ ড্রোন। মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুরু করে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্র, সবখানেই এই ড্রোন এখন এক নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে। তুলনামূলক কম খরচে তৈরি হলেও এর কার্যকারিতা, কৌশলগত ব্যবহার এবং প্রতিরোধের জটিলতা একে আধুনিক যুদ্ধের সবচেয়ে আলোচিত প্রযুক্তিগুলোর একটি করে তুলেছে।

প্রশ্নটা সহজ: কেন একটি তুলনামূলকভাবে সস্তা ড্রোন এত বড় শক্তিগুলোর মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে? উত্তরটা জটিল, আর সেটাই এই আলোচনার মূল বিষয়।

শাহেদ ড্রোন কী এবং কীভাবে কাজ করে

‘শাহেদ’ ড্রোন মূলত এক ধরনের লোটারিং মিউনিশন, যাকে অনেক সময় ‘কামিকাজে ড্রোন’ও বলা হয়। এর কাজ হলো আকাশে দীর্ঘ সময় ধরে ঘোরাফেরা করা, লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করা এবং শেষ মুহূর্তে সরাসরি আঘাত হেনে বিস্ফোরিত হওয়া।

প্রচলিত ড্রোনের মতো এটি শুধু নজরদারি করে ফিরে আসে না। বরং নিজেই অস্ত্র। লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার পরই এর মিশন শেষ হয়।

এই ড্রোনগুলো সাধারণত জিপিএস এবং ইনার্শিয়াল নেভিগেশন সিস্টেম (INS)-এর সমন্বয়ে চলে। শুরুতে জিপিএস ব্যবহার করে অবস্থান নির্ধারণ করলেও পরে অনেক সময় জিপিএস বন্ধ করে দিয়ে নিজস্ব গতিপথ ধরে এগোয়। ফলে শত্রুপক্ষের জ্যামিং বা সিগন্যাল ব্লক করার প্রচেষ্টা অনেক ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হয়ে যায়।

সবচেয়ে আলোচিত মডেল: শাহেদ-১৩৬ ও শাহেদ-১৩১

শাহেদ সিরিজের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও আলোচিত দুটি মডেল হলো শাহেদ-১৩৬ এবং শাহেদ-১৩১।

শাহেদ’ ড্রোন। ছবিঃ সংগৃহীত

শাহেদ-১৩৬
এটি বড় আকারের এবং দীর্ঘ পাল্লার ড্রোন। প্রায় ৩.৫ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ২.৫ মিটার ডানার বিস্তার নিয়ে তৈরি এই ড্রোন ১,০০০ থেকে ২,৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত উড়তে সক্ষম। এতে প্রায় ৪০-৫০ কেজি বিস্ফোরক বহন করা যায়। গতি খুব বেশি না হলেও (প্রায় ১৮০ কিমি/ঘণ্টা), এর শক্তি এর কৌশলে।

রাশিয়া এই ড্রোনকে নিজেদের নামে ‘গেরান-২’ হিসেবে ব্যবহার করছে।

শাহেদ-১৩১
এটি তুলনামূলক ছোট সংস্করণ। পাল্লা কম (৭০০-৯০০ কিমি), বিস্ফোরকও কম বহন করে (১০-১৫ কেজি), কিন্তু দ্রুত মোতায়েনযোগ্য এবং খরচ আরও কম।

“দরিদ্রের ক্রুজ মিসাইল” বলা হয় কেন

শাহেদ ড্রোনের সবচেয়ে বড় শক্তি এর দাম। একটি ড্রোন তৈরি করতে খরচ হয় আনুমানিক ২০,০০০ থেকে ৫০,০০০ ডলার। কিন্তু এটিকে ধ্বংস করতে যে প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়, তার দাম হতে পারে কয়েক লাখ ডলার।

এই অসম অর্থনৈতিক ভারসাম্যই এটিকে ভয়ংকর করে তুলেছে। সহজ ভাষায়, প্রতিপক্ষ যত বেশি ড্রোন পাঠাবে, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তত দ্রুত ব্যয়বহুল হয়ে পড়বে। এই কারণেই অনেক বিশ্লেষক একে বলেন “poor man’s cruise missile” বা দরিদ্রের ক্রুজ মিসাইল।

‘শাহেদ’ ড্রোনের বিভিন্ন অংশ। ছবিঃ সংগৃহীত

শনাক্ত করা কেন কঠিন 

শাহেদ ড্রোনের নকশা খুবই সরল, কিন্তু কার্যকর। এটি সাধারণত প্লাস্টিক ও ফাইবারগ্লাসের মতো হালকা উপকরণ দিয়ে তৈরি। ফলে রাডারে এর উপস্থিতি অনেক সময় ধরা পড়ে না।

এছাড়া এটি খুব নিচু দিয়ে উড়তে পারে। প্রচলিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সাধারণত উচ্চতায় থাকা লক্ষ্যবস্তু শনাক্তে দক্ষ। কিন্তু নিচু দিয়ে আসা ছোট আকারের ড্রোন শনাক্ত করা কঠিন।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এর শব্দ। অনেকেই একে লনমাওয়ারের মতো শব্দের সঙ্গে তুলনা করেন। যুদ্ধক্ষেত্রে এই শব্দ আতঙ্ক তৈরি করে, বিশেষ করে রাতের বেলায়।

জ্যামিং প্রতিরোধ: প্রযুক্তির বড় অগ্রগতি

শাহেদ ড্রোনের আরেকটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো জ্যামিং প্রতিরোধ করার ক্ষমতা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ড্রোনগুলো প্রথমে জিপিএস ব্যবহার করলেও পরে তা বন্ধ করে দিয়ে জাইরোস্কোপভিত্তিক নেভিগেশন ব্যবহার করে। ফলে শত্রুপক্ষ জিপিএস সিগন্যাল ব্লক করলেও ড্রোন তার পথ হারায় না।

এছাড়া নতুন সংস্করণগুলোতে অ্যান্টেনা ইন্টারফারেন্স সাপ্রেশন প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই প্রযুক্তি শত্রুর জ্যামিং সিগন্যাল ফিল্টার করে প্রয়োজনীয় সিগন্যাল সচল রাখতে পারে।

অনেকে মনে করেন, এখন এসব ড্রোনে শুধু মার্কিন জিপিএস নয়, চীনের ‘বেইদো’ এবং রাশিয়ার ‘গ্লোনাস’ সিস্টেমও ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে একাধিক সিস্টেম থাকায় জ্যামিং আরও কঠিন হয়ে যায়।

হামলার জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে ‘শাহেদ’ ড্রোন। ছবিঃ সংগৃহীত

ঝাঁক বেঁধে হামলা: প্রতিরক্ষার জন্য দুঃস্বপ্ন

শাহেদ ড্রোনের সবচেয়ে কার্যকর ব্যবহার হলো ঝাঁক বেঁধে আক্রমণ। একসঙ্গে শত শত ড্রোন পাঠানো হলে প্রতিপক্ষের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। অনেক সময় মূল লক্ষ্য থাকে না সরাসরি ক্ষতি করা, বরং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যস্ত রাখা।

এর ফলে পরে আসা ক্ষেপণাস্ত্র বা অন্য অস্ত্র সহজে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। রাশিয়া ইউক্রেনে এই কৌশল ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেছে। একইভাবে মধ্যপ্রাচ্যেও এই কৌশল দেখা যাচ্ছে।

বাস্তব যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার

ইউক্রেন যুদ্ধ

২০২২ সালের পর থেকে ইউক্রেনে রাশিয়ার ব্যবহারে শাহেদ ড্রোন বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পায়। বিদ্যুৎকেন্দ্র, জ্বালানি অবকাঠামো এবং নগর এলাকায় হামলায় এই ড্রোন ব্যবহৃত হয়েছে। শীতকালে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত করতে এই ড্রোন বড় ভূমিকা রাখে।

মধ্যপ্রাচ্য

সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে এই ড্রোন নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিভিন্ন দেশে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার ঘটনায় এর ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বাহরাইন, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ড্রোন হামলার ঘটনা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

মাটিতে পড়ে আছে ‘শাহেদ’ ড্রোন। ছবিঃ সংগৃহীত

প্রতিরোধ কেন কঠিন

শাহেদ ড্রোন প্রতিরোধ করা কেন এত কঠিন, তার পেছনে রয়েছে একাধিক বাস্তব কারণ। এ ধরনের ড্রোন মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট গান, ইন্টারসেপ্টর ড্রোন এবং আধুনিক লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। তবে প্রতিটি পদ্ধতিরই কিছু না কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। উদাহরণ হিসেবে, ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে একটি ছোট ড্রোন ভূপাতিত করা সম্ভব হলেও তা অত্যন্ত ব্যয়বহুল, যা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়। কামান বা অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট গান কাছাকাছি দূরত্বে কার্যকর হলেও দ্রুতগতিতে ও নিচু দিয়ে উড়া ছোট ড্রোনকে লক্ষ্যভেদ করা কঠিন হয়ে পড়ে। ইন্টারসেপ্টর ড্রোন তুলনামূলকভাবে আধুনিক সমাধান হলেও এগুলোর কার্যকারিতা নির্ভর করে সময়মতো শনাক্তকরণ ও সঠিক সমন্বয়ের ওপর, যা সব পরিস্থিতিতে সম্ভব হয় না। আর লেজার প্রযুক্তি এখনো উন্নয়ন পর্যায়ে থাকায় তা সব জায়গায় কার্যকরভাবে মোতায়েন করা যায়নি। ফলে একাধিক প্রযুক্তি একসঙ্গে ব্যবহার করেও অনেক ক্ষেত্রে এই ড্রোন পুরোপুরি প্রতিহত করা যাচ্ছে না, যা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতিগুলোর একটি হলো ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার, যেখানে ড্রোনের নেভিগেশন সিস্টেমে হস্তক্ষেপ করা হয়। এর একটি কৌশল হলো ‘স্পুফিং’, যেখানে ড্রোনকে ভুল সংকেত দিয়ে পথ পরিবর্তন করানো হয়।

ইউক্রেনের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, হাজার হাজার ড্রোন এভাবে অকেজো করা সম্ভব হয়েছে।

‘শাহেদ’ ড্রোন। ছবিঃ সংগৃহীত

সস্তা প্রযুক্তি, কিন্তু উচ্চ প্রভাব

শাহেদ ড্রোনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—এটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল নয়। অনেক ক্ষেত্রে বাণিজ্যিকভাবে সহজলভ্য যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এটি তৈরি করা সম্ভব।

কিন্তু সেই সাধারণ প্রযুক্তিকে এমনভাবে সমন্বয় করা হয়েছে, যা সামরিক মানের কার্যকারিতা তৈরি করছে।

এটাই ভবিষ্যতের যুদ্ধের একটি বড় ইঙ্গিত—সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রযুক্তিই সবসময় সবচেয়ে কার্যকর নয়।

বৈশ্বিক নিরাপত্তায় নতুন চ্যালেঞ্জ

শাহেদ ড্রোন শুধু একটি অস্ত্র নয়, এটি আধুনিক যুদ্ধের কৌশলই বদলে দিচ্ছে। এর ফলে ছোট দেশগুলো তুলনামূলক কম খরচে শক্তিশালী হামলা চালানোর সক্ষমতা অর্জন করছে, অন্যদিকে বড় শক্তিগুলোর ব্যয়বহুল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রমেই চাপের মুখে পড়ছে। একই সঙ্গে যুদ্ধের ধরনও আরও অনিশ্চিত ও জটিল হয়ে উঠছে, যেখানে প্রযুক্তির সহজলভ্যতা শক্তির ভারসাম্যকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতের যুদ্ধ হবে ড্রোন বনাম প্রতিরোধ প্রযুক্তির যুদ্ধ, যেখানে গতি, খরচ এবং প্রযুক্তিগত অভিযোজনই মূল ফ্যাক্টর।

শাহেদ ড্রোনের উন্নত সংস্করণ ইতিমধ্যে তৈরি হচ্ছে। আরও বেশি পাল্লা, আরও নির্ভুলতা এবং আরও উন্নত জ্যামিং প্রতিরোধ প্রযুক্তি যুক্ত করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েলসহ বিভিন্ন দেশ লেজার অস্ত্র, উন্নত রাডার এবং এআই-চালিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরিতে জোর দিচ্ছে।

কিন্তু প্রশ্ন রয়ে গেছে সস্তা, সহজলভ্য এবং কার্যকর এই প্রযুক্তির বিরুদ্ধে কতটা দ্রুত অভিযোজিত হতে পারবে বিশ্ব?

শাহেদ ড্রোনকে শুধুমাত্র একটি সামরিক প্রযুক্তি হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটি আসলে আধুনিক যুদ্ধের অর্থনীতি, কৌশল এবং প্রযুক্তিগত ভারসাম্যের এক নতুন প্রতীক।

কম খরচে বেশি ক্ষতি। এই সমীকরণই একে ভয়ংকর করে তুলেছে। আর সেই কারণেই, বিশ্ব রাজনীতির অস্থির সময়ে এই ড্রোনের নাম বারবার ফিরে আসছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

এই শাখার আরও খবর

ইরানের বাসিজ ফোর্স প্রধানকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল

মেলবোর্ন, ১৭ মার্চ- ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) আওতাধীন আধাসামরিক বাহিনী বাসিজ ফোর্সের প্রধান গোলামরেজা সোলাইমানিকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে…

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আকাশসীমা বন্ধ: অস্ট্রেলিয়ানদের দ্রুত দেশত্যাগের সতর্কতা!

মেলবোর্ন, ১৭ মার্চ: মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সাময়িকভাবে তাদের আকাশসীমা সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করেছে। নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে…

যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শিক্ষা দিতে চাওয়া’ কে এই আলী লারিজানি

মেলবোর্ন, ১৭ মার্চ- ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানিকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ দাবি করেছেন, লারিজানি নিহত…

দ্বিতীয়বার সুদের হার বাড়াল অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক

মেলবোর্ন, ১৭ মার্চ- অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়া (আরবিএ) চলতি বছরে দ্বিতীয়বারের মতো সুদের হার বাড়িয়েছে। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সুদের হার ০.২৫ শতাংশ…

এবার কিউবা ‘দখলের’ ইঙ্গিত ট্রাম্পের, নতুন করে উত্তেজনা

মেলবোর্ন, ১৭ মার্চ- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি মনে করেন কিউবাকে “দখল করার” সম্মান তারই হবে। হোয়াইট হাউসে এক নির্বাহী আদেশে সই করার সময়…

জ্বালানি সংকটে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়াল শ্রীলঙ্কা

মেলবোর্ন, ১৭ মার্চ- তীব্র জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বড় ধরনের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রীলঙ্কা সরকার। জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এখন থেকে প্রতি বুধবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করা…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au