ইরান ইস্যুতে ন্যাটোর অবস্থানকে ‘বোকামি’ বললেন ট্রাম্প
মেলবোর্ন, ১৮ মার্চ- ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তকে ‘খুবই বোকামিপূর্ণ ভুল’ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের…
মেলবোর্ন, ১৮ মার্চ- কলকাতাসহ ভারতের একাধিক স্থানে অভিযান চালিয়ে এক মার্কিন ভাড়াটে যোদ্ধা ও ছয় ইউক্রেনীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন এবং ড্রোনভিত্তিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনার অভিযোগ উঠেছে।
জাতীয় তদন্ত সংস্থা মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানায়, গত ১৩ মার্চ কলকাতা বিমানবন্দর থেকে মার্কিন নাগরিক ম্যাথিউ অ্যারন ভ্যানডাইককে গ্রেপ্তার করা হয়। একই অভিযানে দিল্লি ও লখনৌ বিমানবন্দর থেকে আরও ছয় ইউক্রেনীয় নাগরিককে আটক করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া সাত বিদেশি নাগরিক অনুমোদনবিহীনভাবে সংরক্ষিত এলাকায় প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষ অনুমতিপত্র ছাড়া মিজোরামে প্রবেশ করেছিলেন। সেখান থেকে তারা অবৈধভাবে মিয়ানমারে প্রবেশ করেন। তদন্ত সংস্থার দায়ের করা মামলার নথিতে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে তাদের সরাসরি যোগাযোগ ছিল।
তদন্তকারীরা মনে করছেন, মিয়ানমারের এসব গোষ্ঠীর সঙ্গে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিদ্রোহী সংগঠনগুলোর যোগসূত্র রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ইউরোপ থেকে আনা উন্নত প্রযুক্তির ড্রোন ব্যবহার করে মিয়ানমারে প্রশিক্ষণ শিবির চালুর পরিকল্পনা করেছিলেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
গ্রেপ্তার ম্যাথিউ অ্যারন ভ্যানডাইককে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা একজন অভিজ্ঞ ভাড়াটে যোদ্ধা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি ‘সন্স অব লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল’ নামে একটি ভাড়াটে যোদ্ধা সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা বলে জানা গেছে। অতীতে লিবিয়ার গৃহযুদ্ধ, ইরাকে জঙ্গিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান এবং সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেনের যুদ্ধে ড্রোন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
গ্রেপ্তারের পর ১৬ মার্চ তাদের দিল্লির পাতিয়ালা হাউস আদালতে হাজির করা হলে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ১১ দিনের জন্য জাতীয় তদন্ত সংস্থার হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত।
তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, উন্নত ড্রোন ও জ্যামিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভারতের ভেতরে কোনো নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না। একই সঙ্গে তাদের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, অর্থায়নের উৎস এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান চলছে।
সূত্রঃ এই সময়
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au