নিখোঁজের ৮ ঘণ্টা পর গর্ত থেকে শিশু বিথি রায়ের মরদেহ উদ্ধার
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার প্রায় আট ঘণ্টা পর বিথি রায় নামে ছয় বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত ৮টার দিকে…
মেলবোর্ন, ৩১ মার্চ- দেশে শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য টিকাদান কর্মসূচিতে বিলম্বকে দায়ী করেছেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম। সোমবার সকালে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়েছে।
ডা. রফিকুল ইসলাম জানান, গত ৪ জানুয়ারি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রথম হাম শনাক্ত হলেও তখন থেকেই টিকা সংগ্রহে জটিলতা তৈরি হয়। সংশ্লিষ্টরা বিষয়টি জানলেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি, যার ফলেই বর্তমানে সংক্রমণ বেড়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, ২০২৪ সাল পর্যন্ত একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা হলেও পরবর্তীতে অন্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে টিকা কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের কারণেও কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে, যা সংক্রামক রোগের বিস্তারে ঝুঁকি বাড়িয়েছে।
হাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নতুন করে গবেষণার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষায়, বর্তমানে ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সী শিশুদের টিকা দেওয়া হলেও চার মাস বয়সী শিশুরাও আক্রান্ত হচ্ছে, যা উদ্বেগজনক। সংক্রমণের এই ধরণ কেন বদলাচ্ছে, তা দ্রুত খতিয়ে দেখা জরুরি বলে তিনি মনে করেন।
সচেতনতার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ, যা একজন আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে ১০ থেকে ১৫ জনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই আতঙ্কিত না হয়ে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানান তিনি।
হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রায় ১ হাজার ২০০ শয্যার বিপরীতে বর্তমানে প্রায় ২ হাজার ৯০০ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে, যা স্বাস্থ্যসেবায় বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। শিশুদের জন্য নির্ধারিত আইসিইউতেও সীমিত পরিসরে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, যেখানে বর্তমানে ১২ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
শিশুদের সাম্প্রতিক মৃত্যুর ঘটনা তদন্তাধীন রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার এ বিষয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটি ইতোমধ্যে হাসপাতাল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করছে এবং তাদের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রকৃত চিত্র জানা যাবে।
এ সময় হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ উল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au