অভিনেত্রীর মরদেহ উদ্ধার
মেলবোর্ন, ৭ এপ্রিল- তামিল টেলিভিশন জগতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুভাষিনীর মরদেহ চেন্নাইয়ের নীলঙ্করাই এলাকায় তার নিজ বাসা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৬ এপ্রিল) ঘটনাটি ঘটে।…
মেলবোর্ন, ৬ এপ্রিল- কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় দীর্ঘ ১০ বছর পর নতুন অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলেছে। সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত, যা মামলার তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সোমবার (৬ এপ্রিল) কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. মুমিনুল হক এই আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশে তদন্ত কর্মকর্তা হাজির হয়ে মামলার সর্বশেষ অগ্রগতি তুলে ধরেন এবং লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঢাকার পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম জানান, এর আগে তনুর ব্যবহৃত কিছু কাপড় থেকে তিনজন ব্যক্তির ডিএনএ প্রোফাইল সংগ্রহ করা হয়েছিল। তবে সেগুলোর সঙ্গে কোনো সন্দেহভাজনের ডিএনএ মিলিয়ে দেখা হয়নি। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী এখন ওই তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে।
তিনি আরও জানান, ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত তিনজনই সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। তবে তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। পরবর্তী শুনানিতে তদন্তের অগ্রগতি আদালতে জানাতে বলা হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার অগ্রগতি জানতে সম্প্রতি পিবিআইকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে হাজির হয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন, যার ভিত্তিতেই এই নির্দেশনা আসে।
এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন তনুর বাবা ইয়ার হোসেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ এক দশক ধরে তিনি বিচার প্রত্যাশায় বিভিন্ন জায়গায় ছুটেছেন। তার দাবি, দেশের অন্যান্য ঘটনার বিচার হলেও তার মেয়ের হত্যাকাণ্ডের সুরাহা এখনো হয়নি। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বিচার দাবি করার কথাও জানান।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি শেষে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হন তনু। পরে সেনানিবাসের একটি নির্জন স্থান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন তার বাবা অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি প্রথমে থানা-পুলিশ, পরে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত করলেও রহস্য উদ্ঘাটন সম্ভব হয়নি। ২০২০ সালের অক্টোবরে মামলাটি পিবিআইয়ে হস্তান্তর করা হয়। এরপর একাধিক তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছেন পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম।
দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা এই মামলায় ডিএনএ পরীক্ষার নতুন নির্দেশনা বিচারপ্রক্রিয়ায় গতি আনবে বলে আশা করছে তনুর পরিবার।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au