জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশনে একদিনে ৯১টি বিল পাস
মেলবোর্ন, ১১ এপ্রিল- জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপান্তরের অংশ হিসেবে একদিনেই মোট ৯১টি বিল পাস হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল)…
মেলবোর্ন, ১০ এপ্রিল- অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে একটি বিতর্কিত প্রো-প্যালেস্টাইন জনসভা আয়োজনকে ঘিরে উত্তেজনা ও সমালোচনা বাড়ছে। “গ্লোবালাইজ দ্য ইনতিফাদা” বলার অধিকারের দাবিতে আয়োজিত এই ফোরামটি বাতিলের বিভিন্ন মহল থেকে জোরালো দাবি উঠেছে।
সিটি অব সিডনির মালিকানাধীন ভেন্যুতে এই অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ইহুদি সংগঠন ও একাধিক কাউন্সিলর। সিডনি সিটি কাউন্সিলর লিনডন গ্যানন এই ইভেন্টকে “অত্যন্ত অশোভন” বলে আখ্যা দিয়ে বলেন, এমন মত প্রকাশের জন্য কাউন্সিলের ভেন্যু ব্যবহার করা “গ্রহণযোগ্য নয়”, বিশেষ করে যখন রাজ্যের প্রিমিয়ার এ ধরনের বক্তব্য নিষিদ্ধ করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়ান জিউইশ অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাহী রবার্ট গ্রেগরি বলেন, সিটি অব সিডনির নিষ্ক্রিয়তায় তিনি “হতাশ”। তাঁর অভিযোগ, মেয়র ক্লোভার মুর ছবি তোলার সুযোগ থাকলে ইহুদি কমিউনিটির অনুষ্ঠানে অংশ নেন, কিন্তু সংকটের সময়ে পাশে দাঁড়ান না।
গ্রেগরির মতে, “গ্লোবালাইজ দ্য ইনতিফাদা” স্লোগানটি ইহুদি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সহিংসতার আহ্বান হিসেবে দেখা হয় এবং এটি সংখ্যালঘুদের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক বন্ডাই হামলার পরিপ্রেক্ষিতে।
প্রথমে ডার্লিংটন অ্যাক্টিভিটি সেন্টারে আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও আয়োজক সংগঠন ‘স্টপ দ্য ওয়ার অন প্যালেস্টাইন’ পরে ঘোষণা দেয় যে, অনুষ্ঠানটি আগামী ৫ মে ইস্ট সিডনি কমিউনিটি অ্যান্ড আর্টস সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে। নতুন প্রচারপত্রে ভেন্যু ও তারিখ পরিবর্তনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
এদিকে বিতর্কিত কাম্বারল্যান্ড কাউন্সিলর আহমেদ ওউফকে আর বক্তা হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়নি বলেও জানা গেছে।
সিটি অব সিডনি কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে জানায়, আয়োজকরা নিয়মিত তাদের ভেন্যু ব্যবহার করে থাকে।
কাউন্সিলর গ্যানন বলেন, যদিও প্রতিদিনের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত কাউন্সিলররা সরাসরি নেন না, তবুও ভবিষ্যতে এ ধরনের ইভেন্ট প্রতিরোধে কী করা যায়, তা নিয়ে তিনি সিটি প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন। তিনি এ বিষয়ে নীতিমালা পুনর্বিবেচনার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।
রাজ্য সরকারের এক মুখপাত্র জানান, সংশ্লিষ্ট ভেন্যুতে কী ধরনের অনুষ্ঠান হবে, সে সিদ্ধান্ত সিটি অব সিডনির নিজস্ব বিষয়। একইসঙ্গে তিনি বলেন, এ ধরনের গোষ্ঠীগুলো সাধারণত প্রচার ও মনোযোগ পাওয়ার চেষ্টা করে।
প্রিমিয়ার ক্রিস মিন্সও এ বিষয়ে তাঁর পূর্বের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে জানান, বর্তমান আইনের আওতায় রাজ্য সরকারের এই ইভেন্ট বন্ধ করার ক্ষমতা নেই।
অন্যদিকে, ফেডারেল সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ায় ঘৃণা বা সহিংসতার কোনো স্থান নেই এবং সরকার ইতোমধ্যে কঠোরতম হেইট ক্রাইম আইন পাস করেছে।
সূত্রঃ দ্য টেলিগ্রাফ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au