মমতার গলার কাঁটা হয়ে ভোটের সাত দিন আগে দল ছাড়লেন বিদায়ী বিধায়ক
মেলবোর্ন, ১৭ এপ্রিল- সিপিআইএমের বিরুদ্ধে জিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে বার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হন- সেইবারও আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলকে হারাতে পারেনি তার দল তৃণমূল কংগ্রেস। ২০১১ সালে…
মেলবোর্ন, ১৬ এপ্রিল- বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)-এর অধীনে অনুষ্ঠিতব্য প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা দুই মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ নিয়োগসংক্রান্ত সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতাও স্থগিতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিচারপতি আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর ফলে আগামী ১৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য নিয়োগ পরীক্ষা আপাতত স্থগিত হয়ে গেল।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী হুমায়ুন কবির বুলবুল। তিনি জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগের জন্য নির্ধারিত পরীক্ষা দুই মাসের জন্য স্থগিত করার পাশাপাশি গত ২৫ মার্চ জারি করা এনটিআরসিএর সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতাও একই মেয়াদের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
এছাড়া ওই সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ও আইনগত ক্ষমতার বাইরে ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে সরকার ও এনটিআরসিএর প্রতি চার সপ্তাহের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
দেশের বিভিন্ন এলাকার স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১১৪ জন আবেদনকারীর করা রিটের প্রেক্ষিতে আদালত এই আদেশ দেন।
উল্লেখ্য, গত ২৯ জানুয়ারি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে মোট ১৩ হাজার ৫৫৯টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের জন্য ১০ থেকে ১৫ বছরের শিক্ষকতা অভিজ্ঞতার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছিল।
তবে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পরপরই নীতিমালায় পরিবর্তন আনা হয়। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার ১৯ দিন পর স্কুল ও কলেজের জন্য এবং ২৫ দিন পর ভোকেশনাল, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা, টেকনোলজি, ডিপ্লোমা ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা সংশোধন করা হয়। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে প্রার্থীদের জন্য ন্যূনতম ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করা হয়।
এই আকস্মিক পরিবর্তনের কারণে অনেক আবেদনকারী নিজেদের ক্ষতিগ্রস্ত দাবি করে আদালতের শরণাপন্ন হন। তাদের অভিযোগ, আবেদন আহ্বানের পর শর্ত পরিবর্তন করা আইনসঙ্গত নয় এবং এতে প্রার্থীদের সমান সুযোগ ক্ষুণ্ন হয়েছে।
আদালতের এই আদেশের ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়া আপাতত স্থবির হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে সংশোধিত নীতিমালা ও বিজ্ঞপ্তির বৈধতা নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় বিষয়টি এখন বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au