লোকসভায় নারী সংরক্ষণ ও আসন বৃদ্ধির বিল পাসে ব্যর্থ মোদী সরকার
মেলবোর্বন। ১৮ এপ্রিল- ভারতের লোকসভায় নারী সংরক্ষণ ও আসন বৃদ্ধি–সংক্রান্ত বহুল আলোচিত সংবিধান সংশোধনী বিল শেষ পর্যন্ত পাস করাতে ব্যর্থ হয়েছে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার। সংখ্যাগরিষ্ঠতা…
মেলবোর্ন, ১৮ এপ্রিল- বাবার মৃত্যুর কয়েকদিন পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাবাকে নিয়ে দীর্ঘ এক আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন ছোট পর্দার একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী বন্যা মির্জা। পোস্টে তিনি তাঁর বাবার সরল জীবন, সততা, পারিবারিক মূল্যবোধ এবং শেষ সময়ের হৃদয়ছোঁয়া মুহূর্তগুলো তুলে ধরেছেন।
বন্যা মির্জার বাবা মির্জা আবুল হাসনাত ইনামুল বারী ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। গত ১৫ এপ্রিল মৃত্যু হয় তার। তিনি জীবদ্দশায় কোনো বড় দাবি বা আড়ম্বরের জীবন না চেয়ে একেবারে সাধারণভাবে জীবনযাপন করতেন বলে জানান অভিনেত্রী। বন্যা মির্জা লেখেন, তাঁর বাবা ছিলেন সত্যিকারের সৎ ও সাহসী মানুষ, যিনি জীবনের কোনো পর্যায়েই অভিযোগ বা অসন্তোষ প্রকাশ করতেন না। বরং পরিবারের সবাইকে একসঙ্গে কাছে দেখতে পাওয়াটাই ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় চাওয়া।
পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন, বাবার কর্মজীবনে বহু মানুষের দায়িত্ব তিনি সততার সঙ্গে পালন করেছেন। তবে বিষয়টিকে কখনো আলাদা কোনো অর্জন হিসেবে না দেখে তিনি স্বাভাবিক দায়িত্ব হিসেবেই নিয়েছিলেন। এই শিক্ষা তিনি বাবার কাছ থেকেই পেয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন বন্যা মির্জা।
অভিনেত্রী জানান, অবসরের পর তাঁর বাবা ওপেন হার্ট সার্জারির মতো কঠিন শারীরিক পরিস্থিতির মধ্যেও সব সময় হাসিমুখে ছিলেন এবং ধৈর্য ধরে লড়াই করেছেন। কর্মজীবনে তিনি কখনো দেরি করে অফিসে যাননি বলেও স্মৃতিচারণ করেন তিনি।
সবচেয়ে আবেগঘন অংশে বন্যা মির্জা লেখেন, মৃত্যুর আগের রাতে তাঁর বাবা পরিবারের সবাইকে ভিডিও কলে ডেকে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। এরপরের দিন সকালেই তিনি পৃথিবী ছেড়ে চলে যান।
তিনি আরও জানান, তাঁর বাবার জানাজার নামাজ আগামী শনিবার (১৮ এপ্রিল) যোহরের পর মনসুরাবাদ জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।
বাবার মৃত্যুর খবর পাওয়ার সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ছিলেন বলে উল্লেখ করেন বন্যা মির্জা। খবর পাওয়ার পর তিনি দ্রুত দেশে ফিরে আসেন। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী জীবনযাপন করছেন।
পোস্টের শেষে অভিনেত্রী তাঁর বাবার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, বাবার সাধারণ জীবনই তাঁকে ও তাঁদের পরিবারকে গড়ে তুলেছে। পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমে শোকবার্তা প্রকাশ ও সংবাদ প্রচার করায় তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au