বিশ্বমঞ্চে বাংলা নববর্ষ, সিডনি অপেরা হাউসে বর্ণাঢ্য বৈশাখী উদ্যাপন
মেলবোর্ন, ২০ এপ্রিল- অস্ট্রেলিয়ার সিডনি অপেরা হাউসে প্রথমবারের মতো বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষকে ঘিরে বৈশাখী উৎসব উদ্যাপিত হয়েছে। ১৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় বিশ্বের অন্যতম এই…
মেলবোর্ন, ১৯ এপ্রিল- মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, একটি বিরল ও বিশাল আকারের গ্রহাণু পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে অতিক্রম করবে, যা মানব ইতিহাসে এর আকারের অন্য যেকোনো মহাজাগতিক বস্তুর তুলনায় সবচেয়ে কাছাকাছি আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গ্রহাণুটির নাম অ্যাপোফিস, যা প্রাচীন মিশরের ধ্বংস ও অশুভ শক্তির দেবতার নামে নামকরণ করা হয়েছে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৭৫ মিটার বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা আইফেল টাওয়ারের উচ্চতা ৩৩০ মিটারের চেয়েও বেশি।
নাসার তথ্য অনুযায়ী, এই গ্রহাণুটি ২০২৯ সালের ১৩ এপ্রিল পৃথিবীর পাশ দিয়ে একবারের জীবনে দেখা “ফ্লাইবাই” করবে, যা পরিষ্কার আকাশে খালি চোখেও দেখা যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
গ্রহাণুটি পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২০ হাজার মাইল দূর দিয়ে অতিক্রম করবে, যা অনেক কৃত্রিম উপগ্রহের কক্ষপথের থেকেও কাছাকাছি এবং চাঁদের গড় দূরত্বের প্রায় ১২ গুণ কম দূরত্বে অবস্থান করবে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, এ ধরনের আকারের গ্রহাণু সাধারণত কয়েক হাজার বছরে একবার পৃথিবীর কাছ দিয়ে যায়। মানব ইতিহাসে এমন ঘটনা আগে কখনো রেকর্ড হয়নি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নাসা আরও জানিয়েছে, এই প্রথমবার মানুষের হাতে এমন প্রযুক্তি রয়েছে, যার মাধ্যমে এত বড় মহাজাগতিক ঘটনার সরাসরি পর্যবেক্ষণ সম্ভব হবে।
আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে পূর্ব গোলার্ধের আকাশ পর্যবেক্ষকেরা টেলিস্কোপ ছাড়াই এই গ্রহাণুর অতিক্রমণ দেখতে পারবেন।
সংস্থাটি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, পৃথিবী, মহাকাশচারী বা কৃত্রিম উপগ্রহের জন্য কোনো ঝুঁকি নেই। তবে এটি গ্রহাণু সম্পর্কে নতুন তথ্য জানার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করবে।
গ্রহাণুটি নিয়ে অতীতে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, কারণ প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী ২০২৯, ২০৩৬ ও ২০৬৮ সালে পৃথিবীতে আঘাত হানার সম্ভাবনার কথা উঠে আসে। সেই কারণেই এর নামকরণ করা হয় অ্যাপোফিস।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au