বিদিশা সিদ্দিকের দুই বছরের কারাদণ্ড
মেলবোর্ন, ২১ মে- রাজধানীর গুলশান থানায় দায়ের করা প্রতারণার মামলায় প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিককে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।…
মেলবোর্ন, ২১ মে- ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, যারা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)-এর আওতায় পড়েন না, তাদের ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ হিসেবে চিহ্নিত করে সরাসরি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে। তার এই মন্তব্যকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গন ও সীমান্ত অঞ্চলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) নবান্নে বিএসএফ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ডিটেক্ট, ডিলিট এবং ডিপোর্ট” নীতির মাধ্যমেই অবৈধ অনুপ্রবেশ মোকাবিলা করা হবে। তিনি দাবি করেন, ভারত সরকারের পক্ষ থেকে গত বছরের ১৪ মে রাজ্য সরকারকে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছিল, যাতে অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে আগের সরকার সেই আইন কার্যকর করেনি বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখন সীমান্ত নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি জানান, বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে গতি আনতে প্রথম ধাপে ২৭ কিলোমিটার এলাকায় প্রয়োজনীয় সরকারি ও ব্যক্তিগত জমি বিএসএফ ও ভারত সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শুভেন্দু অধিকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় ২ হাজার ২০০ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬০০ কিলোমিটার এলাকায় এখনও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ সম্পন্ন হয়নি। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দ্রুত সেই কাজ শেষ করতে চায় এবং সীমান্তে নজরদারি আরও শক্তিশালী করবে।
বৈঠকে তিনি আরও দাবি করেন, সিএএ-এর আওতায় যারা পড়বেন না, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে পুরোনো নাম ‘বিডিআর’ বলেও উল্লেখ করেন, যা নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা দেখা গেছে।
ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে নির্দিষ্ট ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা ভারতে এসে নাগরিকত্বের আবেদন করতে পারবেন। তবে মুসলিম সম্প্রদায় এই আইনের আওতায় না থাকায় আইনটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্ত নিরাপত্তা, অনুপ্রবেশ এবং নাগরিকত্ব ইস্যুকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গের নতুন বিজেপি সরকার নিজেদের কঠোর অবস্থান তুলে ধরার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে বিরোধীরা অভিযোগ করছে, এই ধরনের বক্তব্য সীমান্ত পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে।
সুত্রঃ বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au