কানাডায় বাংলাদেশিকে হত্যা: ৩ ব্রিটিশ দোষী সাব্যস্ত
মেলবোর্ন, ৭ জুন- কানাডায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী শরিফ রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর তিন ব্রিটিশ নাগরিককে দোষী সাব্যস্ত করেছে দেশটির একটি আদালত। প্রায়…
মেলবোর্ন, ২৪ মে- যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতে ব্যাপক কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে ভারতীয় পেশাজীবীদের ওপর। বিশেষ করে এইচ-১বি ভিসায় কর্মরত হাজার হাজার ভারতীয় এখন চাকরি হারিয়ে অনিশ্চয়তা ও দেশে ফেরার শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।
এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটাসহ বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো সাম্প্রতিক সময়ে ব্যয় কমাতে গণহারে কর্মী ছাঁটাই করছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ভারতীয় এইচ-১বি ভিসাধারীরা, যারা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিমালা অনুযায়ী, এইচ-১বি ভিসাধারী কোনো কর্মী চাকরি হারালে তাকে ৬০ দিনের মধ্যে নতুন চাকরি খুঁজে নিতে হবে। অন্যথায় তাকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে। কারণ এই ভিসা মূলত নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের স্পন্সরশিপের মাধ্যমে কার্যকর থাকে।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন চাকরি পাওয়া আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইভিত্তিক কার্যক্রমে বেশি ঝুঁকছে, ফলে প্রচলিত অনেক পদ কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে অভিবাসী কর্মীদের ওপর চাপ আরও বেড়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু মেটাই সম্প্রতি প্রায় ৮ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে। পাশাপাশি অ্যামাজন, লিঙ্কডইনসহ আরও কয়েকটি বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানও কর্মী সংখ্যা কমিয়ে আনছে।
এই সংকটে পড়া ভারতীয়দের অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রে বহু বছর ধরে বসবাস করছেন। সেখানে পরিবার গড়েছেন, সন্তানদের পড়াশোনা করাচ্ছেন এবং বাড়িঘরও কিনেছেন। কিন্তু চাকরি হারানোর পর তাদের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন স্পন্সর খুঁজে না পেলে অনেক দক্ষ ভারতীয় কর্মীকেই বাধ্য হয়ে দেশে ফিরতে হতে পারে। এতে শুধু ব্যক্তিগত জীবন নয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতেও দক্ষ জনবলের সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সুত্রঃ এনডিটিভি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au