পুরনো উইকিতে হাজারো এআই এজেন্টের গোপন যোগাযোগ
জার্মানির প্রায় ২৫ বছরের পুরনো একটি প্রোগ্রামিং উইকি হঠাৎ করেই হাজারো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এজেন্টের যোগাযোগকেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল। ২০২৬ সালের মে থেকে জুনের শেষ…
মেলবোর্ন, ৭ জুন- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ রোববার (৭ জুন) বিকেল ৩টায় শুরু হচ্ছে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশনে আগামী ১১ জুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাজেটের ওপর দীর্ঘ আলোচনা শেষে আগামী ৩০ জুন তা পাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
জাতীয় অর্থনীতির দিকনির্দেশনা নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বাজেট অধিবেশনকে ঘিরে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। রাষ্ট্রপতির অধিবেশন আহ্বানের পর থেকেই প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রস্তুতি শুরু হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, অধিবেশন শুরুর আগে সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে বাজেট অধিবেশনের মেয়াদ, কার্যদিবসের সংখ্যা এবং সার্বিক কার্যসূচি চূড়ান্ত করা হবে।
সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ বাজেট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিভিন্ন খাতে এই অর্থ ব্যয় করা হবে।
প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়নের জন্য সরকারের মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে কর, ভ্যাট ও শুল্ক বাবদ ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে বাজেটে সম্ভাব্য ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ গ্রহণের পরিকল্পনা নিয়েছে। অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রেখে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখাই হবে আসন্ন বাজেটের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের মাধ্যমে সরকারের নতুন অর্থবছরের আয়-ব্যয় পরিকল্পনা, করনীতি, উন্নয়ন কৌশল এবং অর্থনৈতিক লক্ষ্য তুলে ধরবেন। এরপর বাজেটের বিভিন্ন দিক নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যরা বিস্তারিত আলোচনা করবেন।
দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর বিষয়ে এবারের বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে বলে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা। ফলে আজ শুরু হওয়া বাজেট অধিবেশন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উভয় দিক থেকেই বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au