পরাজয়ের ধাক্কা কাটিয়ে মাঠে মমতা, বিজেপি হটানোর নতুন কর্মসূচির ঘোষণা
মেলবোর্ন, ৩ জুন- পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের প্রায় এক মাস পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন…
মেলবোর্ন, ২ জুন- ইসরায়েল-ইরান সংঘাতের উত্তপ্ত প্রেক্ষাপটে ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তাঁর দাবি, চলমান সংঘাতের কারণে ইরান ইতোমধ্যেই বড় ধরনের মূল্য পরিশোধ করেছে এবং দেশটির বিদ্যমান শাসনব্যবস্থার পতন এখন শুধু সময়ের ব্যাপার।
মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরান যে ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে, তা অত্যন্ত গুরুতর। তাঁর ভাষায়, ইরানে প্রতিষ্ঠিত ‘সন্ত্রাসের শাসনের’ ভিত্তি নড়ে গেছে এবং দেশটি আর কখনো আগের অবস্থায় ফিরে যেতে পারবে না।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ইরানের শাসনব্যবস্থার পতন অনিবার্য। দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি এবং বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত তেহরান সরকার এখন নিজেই বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
নেতানিয়াহুর এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ। ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সামরিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েন অব্যাহত রয়েছে এবং আঞ্চলিক শক্তিগুলো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
তবে নেতানিয়াহুর মন্তব্যের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইরান। যদিও অতীতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং দেশটির শীর্ষ নেতৃত্ব বারবার বলে এসেছে যে বাইরের সামরিক চাপ বা বিমান হামলার মাধ্যমে ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।
ইরানি নেতৃত্বের মতে, দেশটির ইসলামী প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি জনগণের আদর্শিক ও রাজনৈতিক বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত। তাই বিদেশি চাপ কিংবা সামরিক শক্তি দিয়ে এ ব্যবস্থাকে দুর্বল করা সম্ভব হবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনাকে আরও উসকে দিতে পারে। একই সঙ্গে এটি ইঙ্গিত করছে যে ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে শুধু সামরিক নয়, রাজনৈতিক ও কৌশলগত চাপও অব্যাহত রাখতে চায়।
এদিকে আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। কারণ ইসরায়েল-ইরান সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে তা শুধু দুই দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা, জ্বালানি সরবরাহ এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপরও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au