রাত পোহালেই বিসিবি নির্বাচন
মেলবোর্ন, ৭ জুন- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আগামীকাল রোববার। মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ…
মেলবোর্ন, ৭ জুন- রাজধানীর পল্লবীতে আলোচিত শিশু রামিসা আক্তার হত্যা মামলার বহুল প্রতীক্ষিত রায় আজ রোববার ঘোষণা করা হবে। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন। মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আনা ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।
রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু জানিয়েছেন, মামলার তদন্ত, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং উপস্থাপিত আলামতের ভিত্তিতে আসামিদের অপরাধ প্রমাণে তারা সক্ষম হয়েছেন। তাই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করবেন বলে তাদের প্রত্যাশা।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমুল্যাহ বলেছেন, তারা আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বিচারক রায়ের জন্য ৭ জুন দিন ধার্য করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী আট বছরের রামিসা আক্তার গত ১৯ মে সকালে নিজ বাসা থেকে বের হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবেশী স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজের বাসায় নিয়ে যান। পরে রামিসাকে খুঁজতে গিয়ে তার বাবা-মা আসামিদের কক্ষের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান।
অনেক ডাকাডাকির পরও ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা রামিসার খণ্ডিত মরদেহ দেখতে পান। ঘটনাটি মুহূর্তেই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বপ্না আক্তারকে হেফাজতে নেয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে অপর আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় পরদিন ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
শিশু রামিসার মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। ফলে আজকের রায়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছে নিহত শিশুর পরিবারসহ সাধারণ মানুষ। আদালতের রায়ের মাধ্যমে এই বহুল আলোচিত মামলার বিচারিক অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্বের সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au