বাংলাদেশ

ছয়দফা : বাঙালির মুক্তির সনদ, জাতির পথের দিশা

সরদার সেলিম রেজা কবি ও পরিবেশ কর্মী, সভাপতি: বাংলাদেশ ইতিহাস ঐতিহ্য কেন্দ্র।

  • 2:15 pm - June 07, 2026
  • পঠিত হয়েছে:২২ বার
ছয়দফা : বাঙালির মুক্তির সনদ, জাতির পথের দিশা ।ছবি : সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ৭ জুন- ৭ জুন মানে শুধু একটি তারিখ না :
৭ জুন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই দিনটি শুধু একটি তারিখ ছিল না। এটি ছিল বাঙালির অধিকার আদায়ের প্রথম সশস্ত্র ঘোষণা। ১৯৬৬ সালের ৭ জুন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সারাদেশে হরতাল হয়েছিল। সেই হরতালে গুলি, লাঠি, টিয়ারগ্যাসের মুখে দাঁড়িয়ে ১১ জন শহীদ হয়েছিল। তাদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা এসেছিল।

১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু যে ৬ দফা দাবি পেশ করেছিলেন, ৭ জুন ছিল সেই ৬ দফার পক্ষে জনগণের গণরায়। তাই ৭ জুন ছিল ছয়দফা দিবস। আর ছয়দফা ছিল বাঙালির মুক্তির সনদ।

কেন ৬ দফা জন্ম নিয়েছিল
১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টি হয়েছিল “দ্বি-জাতি তত্ত্ব” এর ভিত্তিতে। কিন্তু ১৯৪৭ থেকে ১৯৬৬ পর্যন্ত ১৯ বছরে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ বারবার বুঝে গিয়েছিল—পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকরা তাদের শোষণ করছিল।

১.১৯৬০ সালের হিসাব: পাকিস্তানের মোট রপ্তানি আয়ের ৭০% আসতো পূর্ব পাকিস্তানের পাট-চা থেকে। কিন্তু উন্নয়ন বাজেটের মাত্র ২৫% ব্যয় হতো পূর্ব পাকিস্তানে। বাকি ৭৫% চলে যেত পশ্চিম পাকিস্তানে।
২.বৈদেশিক মুদ্রা: ১৯৫০-১৯৬৫ পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তান ৩০ কোটি ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছিল। কিন্তু সেই মুদ্রা দিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানে শিল্প-কারখানা, করাচি-লাহোরের রাস্তা, সেনাবাহিনীর অস্ত্র কেনা হয়েছিল। পূর্ব পাকিস্তানের ভাগ্যে পড়েছিল বন্যা-দুর্ভিক্ষ।
৩. সামরিক বাহিনী: ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে সেনাবাহিনীর ৯৫% সৈন্য ছিল পশ্চিম পাকিস্তানি। পূর্ব পাকিস্তানকে “অরক্ষিত” রাখা হয়েছিল। অথচ ভারতের সাথে পূর্ব পাকিস্তানের সীমান্ত ছিল ২৭ কিমি।
৪. ভাষা ও সংস্কৃতি: ১৯৫২ সালে ভাষার জন্য রক্ত দিয়েছিল বাঙালি। ১৯৬২ সালে শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়েছিল। ১৯৬৪ সালে দাঙ্গা হয়েছিল। প্রতিবারই প্রমাণ হয়েছিল—পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকরা বাঙালির ভাষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি—সব গ্রাস করতে চাইছিল।

এই শোষণের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন: “পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ আর বঞ্চিত থাকবে না। তাদের অধিকার তাদের ফিরিয়ে দিতে হবে।” সেখানেই জন্ম নিয়েছিল ঐতিহাসিক ৬ দফা।

৩. ঐতিহাসিক ৬ দফা: বাঙালির ম্যাগনাকার্টা
বঙ্গবন্ধু লাহোর প্রস্তাবে ৬ দফা পেশ করেছিলেন। এই ৬ দফা ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের রূপরেখা। ৬ দফা মানে বিচ্ছিন্নতা ছিল না, ৬ দফা মানে ছিল সমতার ভিত্তিতে পাকিস্তান।

দফা ১: প্রকৃত ফেডারেশন ও পার্লামেন্টারি সরকার
পাকিস্তান হবে লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে প্রকৃত ফেডারেশন। কেন্দ্রীয় সরকার হবে পার্লামেন্টারি পদ্ধতির। আইনসভার সদস্যরা হবেন প্রাপ্তবয়স্কের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত। অর্থাৎ পূর্ব পাকিস্তানের জনসংখ্যা বেশি, তাই সংসদেও তাদের আসন বেশি থাকবে। এই দাবি ছিল গণতন্ত্রের দাবি।

দফা ২: কেন্দ্রের হাতে শুধু ২টি বিষয়
কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকবে শুধু প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয়। বাকি সব বিষয়—অর্থ, বাণিজ্য, শিল্প, কৃষি, শিক্ষা—থাকবে প্রাদেশিক সরকারের হাতে। অর্থাৎ পূর্ব পাকিস্তানের টাকা পূর্ব পাকিস্তানেই থাকবে।

দফা ৩: দুই অঞ্চলের জন্য আলাদা মুদ্রা বা এক মুদ্রা হলে কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ থাকবে না
এটি ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দফা। ১৯৪৭-১৯৬ পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তানের আয়ের টাকা পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হয়ে যাচ্ছিল। ৬ দফায় বলা হয়েছিল: হয় দুই অঞ্চলের জন্য আলাদা মুদ্রা, না হয় এক মুদ্রা থাকবে কিন্তু মুদ্রা পাচার রোধের জন্য কঠোর ব্যবস্থা থাকবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রাদেশিক সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

দফা ৪: কর ও রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা প্রদেশের হাতে
কর ধার্য ও আদায় করবে প্রাদেশিক সরকার। কেন্দ্রকে প্রদেশগুলো কর দেবে প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রের খরচের জন্য। অর্থাৎ “যার টাকা সে খরচ করবে”—এই নীতি প্রতিষ্ঠিত হবে।

দফা ৫: দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের হিসাব আলাদা
পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের হিসাব আলাদা থাকবে। পূর্ব পাকিস্তানের আয় পূর্ব পাকিস্তানেই ব্যয় হবে। পশ্চিম পাকিস্তান আর পূর্বের টাকা লুট করতে পারবে না।

দফা ৬: আধা-সামরিক বাহিনী গঠন
পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তার জন্য আধা-সামরিক বাহিনী গঠিত হবে। নৌবাহিনীর সদর দপ্তর থাকবে পূর্ব পাকিস্তানে। কারণ ১৯৬৫ সালের যুদ্ধে প্রমাণ হয়েছিল—পূর্ব পাকিস্তান অরক্ষিত ছিল।

এই ৬ দফা ছিল একটি রাষ্ট্রের কাঠামো। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, “এই ৬ দফা মানলে পাকিস্তান টিকবে, না মানলে ভেঙে যাবে।” ইতিহাস প্রমাণ করেছিল—শাসকরা ৬ দফা মানেনি, তাই ১৯৭১ এ পাকিস্তান ভেঙে গিয়েছিল।

৪. ৭ জুন ১৯৬৬: রক্তে রাঙানো হরতাল
৬ দফা পেশ করার পর বঙ্গবন্ধু সারাদেশে গণসংযোগ শুরু করেছিলেন। ১৯৬৬ সালের ৩ মে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। কারাগার থেকে ৭ জুন হরতালের ডাক দিয়েছিলেন।

৭ জুন সারাদেশ স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর—সব শহরে মিছিল হয়েছিল। পুলিশ গুলি চালিয়েছিল। শহীদ হয়েছিলেন:
১. মনু মিয়া – নারায়ণগঞ্জ
২. সফিকুর রহমান – ঢাকা
৩. আবু তাহের – ঢাকা
৪. মোহাম্মদ আলী – ঢাকা
৫. মকবুল হোসেন – ঢাকা
৬. তফাজ্জল হোসেন – ঢাকা
৭. মোমিনউদ্দিন – ঢাকা
৮. শামসুল হক – ঢাকা
৯. সৈয়দ আব্দুল মালেক – ঢাকা
১০. মো. শামসুল আলম – ঢাকা
১. মো. হাফিজুদ্দিন – ঢাকা

১১ জন শহীদের রক্তে ৬ দফা প্রাণ পেয়েছিল। আইয়ুব খানের সামরিক সরকার বুঝে গিয়েছিল—বাঙালি আর দাবিয়ে রাখা যাবে না।

৫. ৬ দফা থেকে ৭০-এর নির্বাচন, ৭ মার্চ, ২৬ মার্চ
৭ জুনের পর ৬ দফা হয়ে উঠেছিল বাঙালির একমাত্র দাবি। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল ৬ দফার ভিত্তিতে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৬ দফার ভিত্তিতে ১৬৯ আসনের মধ্যে ১৬৭ আসনে জিতেছিল। অর্থাৎ জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে ৬ দফাকে রায় দিয়েছিল।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” এই ভাষণের মূল কথা ছিল ৬ দফা। ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণাও ছিল ৬ দফার যৌক্তিক পরিণতি।
বঙ্গবন্ধু নিজে বলেছিলেন, “৬ দফা না মানলে বাংলাদেশ স্বাধীন হবে।”

৬. ছয়দফার শিক্ষা: স্বায়ত্তশাসন মানে স্বাধীনতা
৬ দফা আমাদের ৩টি বড় শিক্ষা দিয়েছিল:

প্রথম শিক্ষা: অর্থনৈতিক মুক্তি ছাড়া রাজনৈতিক মুক্তি অর্থহীন
৬ দফার ৩, ৪, ৫ নম্বর দফা ছিল অর্থনৈতিক। বঙ্গবন্ধু বুঝেছিলেন—যে জাতি নিজের টাকা নিজে খরচ করতে পারে না, সে জাতি স্বাধীন না। ৫ আগস্ট ২০২৪ এর পর ১৮ মাসে আমরা দেখেছিলাম, যখন অর্থনীতি লুট হয়, তখন জাতি দেউলিয়া হয়ে যায়।

দ্বিতীয় শিক্ষা: জনগণের ঐক্য ছিল মূল শক্তি
৭ জুনের হরতাল সফল হয়েছিল কারণ কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী—সবাই এক হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, “জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস।” ৫ আগস্ট পর যখন জনগণ বিভক্ত হয়েছিল, তখনই রাষ্ট্র দুর্বল হয়ে গিয়েছিল।

তৃতীয় শিক্ষা: আপস না, অধিকার আদায়
৬ দফা ছিল আপসের প্রস্তাব না, ছিল অধিকারের দাবি। বঙ্গবন্ধু লাহোরে গিয়ে ভিক্ষা চাননি, দাবি করেছিলেন। তাই ৭ জুন আমাদের শেখায়—ন্যায্য অধিকার আদায়ে রক্ত দিতে হলেও পিছপা হওয়া যাবে না।

৭. ২০২৪-২০২৬: ছয়দফার চেতনা ভুলুণ্ঠিত হয়েছিল
৫ আগস্ট ২০২৪ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১৮ মাসে আমরা দেখেছিলাম—৬ দফার চেতনার ঠিক উল্টোটা হচ্ছিল

১. অর্থনৈতিক লুট: ৬ দফা বলেছিল “পূর্ব পাকিস্তানের টাকা পূর্ব পাকিস্তানে থাকবে”। কিন্তু ১৮ মাসে ৯ হাজার কোটি টাকা ছাপা হয়েছিল, ৮ লাখ কোটি টাকা বাজার থেকে উবে গিয়েছিল। অর্থাৎ জনগণের টাকা জনগণের কাছে থাকেনি।
২. ইতিহাস মুছে ফেলা: ৬ দফা ছিল বাঙালির আত্মপরিচয়ের দলিল। কিন্তু ১৮ মাসে পাঠ্যবই থেকে বঙ্গবন্ধু মুছে দেওয়া হয়েছিল। ৩০ লাখ শহীদকে “লাখো” বানানো হয়েছিল। অর্থাৎ ৬ দফার আত্মা হত্যা করা হয়েছিল।
৩. কেন্দ্রীভূত শোষণ: ৬ দফা বলেছিল “কেন্দ্রের হাতে শুধু ২টি বিষয় থাকবে”। কিন্তু ১৮ মাসে সব ক্ষমতা কেন্দ্রে কুক্ষিগত হয়েছিল। প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ধ্বংস হয়েছিল।

অর্থাৎ ৫ আগস্ট পর যে শক্তি ক্ষমতায় এসেছিল, তারা ৬ দফার চেতনার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। তারা চাইছিল বাঙালিকে আবার ১৯৪৭-এর মতো পরাধীন করতে।

৮. ৭ জুন ২০২৬: আমাদের অঙ্গীকার*
আজ ৭ জুন ২০২৬। ৬০ বছর পেরিয়ে গেছে ৭ জুন ১৯৬৬ এর। কিন্তু ৬ দফার প্রাসঙ্গিকতা কমেনি, বরং বেড়েছে।

আজকের বাংলাদেশের সামনে ৩টি চ্যালেঞ্জ আছে:
১. অর্থনৈতিক স্বাধীনতা: ১৮ মাসে যে ২৮ লাখ মানুষ বেকার হয়েছিল, তাদের কর্মসংস্থান ফেরত দিতে হবে। ৮ লাখ কোটি টাকার লোকসানের হিসাব দিতে হবে। ৬ দফার ৩, ৪, ৫ নম্বর দফার মতো “জনগণের টাকা জনগণের জন্য”—এই নীতি ফেরত আনতে হবে।
২. সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা: ১৮ মাসে যে বঙ্গবন্ধুকে পাঠ্যবই থেকে মুছে দেওয়া হয়েছিল, তাকে ফেরত আনতে হবে। ৩০ লাখ শহীদের ইতিহাস ঠিক করতে হবে। কারণ ৬ দফা শুধু অর্থের দাবি ছিল না, ছিল বাঙালি জাতিসত্তার দাবি।
৩. রাজনৈতিক স্বাধীনতা: ৬ দফা বলেছিল “জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধির সরকার”। ১৮ মাসের অনির্বাচিত শাসনের পর ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এ নির্বাচন হয়েছে কিন্তু গণতন্ত্র, আইনের শাসন—সব ফেরত আনতে হবে।

ছয়দফা ছিল, আছে, থাকবে
৭ জুন আমাদের মনে করিয়ে দেয়—বাঙালি ভিক্ষা চায় না, অধিকার চায়। বাঙালি শোষণ মানে না, সমতা চায়। বাঙালি ইতিহাস ভুলে না, ইতিহাস ধারণ করে।

৫ আগস্ট ২০২৪ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১৮ মাসে যারা ৬ দফার চেতনা ভুলুণ্ঠিত করেছিল, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছিল। কারণ ৭ জুনের ১ জন শহীদের রক্ত বৃথা যায় না। বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা বৃথা যায় না।

আজ ৭ জুন। আমাদের শপথ হোক—৬ দফার চেতনায় বাংলাদেশ গড়বো। অর্থনৈতিক মুক্তির বাংলাদেশ, সাংস্কৃতিক মুক্তির বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ। যে বাংলাদেশের জন্য ১৯৬ সালের ৭ জুন ১ জন শহীদ হয়েছিল, ১৯৭১ সালে ৩০ লাখ শহীদ হয়েছিল।

ছয়দফা ছিল বাঙালির মুক্তির সনদ। ছয়দফা আছে। ছয়দফা থাকবে। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন ৭ জুনের চেতনা থাকবে।

এই শাখার আরও খবর

কানাডায় বাংলাদেশিকে হত্যা: ৩ ব্রিটিশ দোষী সাব্যস্ত

মেলবোর্ন, ৭ জুন- কানাডায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী শরিফ রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর তিন ব্রিটিশ নাগরিককে দোষী সাব্যস্ত করেছে দেশটির একটি আদালত। প্রায়…

ওয়ান নেশনের আবাসন নীতি নিয়ে বিতর্ক, পলিন হ্যানসনকে তুলোধোনা লেবার পার্টির

মেলবোর্ন, ৭ জুন-  অস্ট্রেলিয়ার ডানপন্থী রাজনৈতিক দল ওয়ান নেশনের আবাসন নীতি ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দলটির নেত্রী পলিন হ্যানসনের প্রস্তাবিত আবাসন নীতি নিয়ে বিভ্রান্তি…

ওয়ান নেশনের উত্থানে চাপে অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতি, হুমকি নয় বলে দাবি সরকারের

মেলবোর্ন, ৭ জুন- অস্ট্রেলিয়ার ডানপন্থী রাজনৈতিক দল ওয়ান নেশনের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপে দলটির সমর্থন উল্লেখযোগ্যভাবে…

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন শুরু হচ্ছে আজ

মেলবোর্ন, ৭ জুন- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ রোববার (৭ জুন) বিকেল ৩টায় শুরু হচ্ছে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত…

নেতৃত্ব সংকটের গুঞ্জনের মধ্যেই নিজেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরালেন গ্যাব্রিয়েল উইলিয়ামস

মেলবোর্ন, ৭ জুন: ভিক্টোরিয়ার রাজনীতিতে লেবার পার্টির নেতৃত্ব নিয়ে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। আসন্ন নভেম্বরের নির্বাচনের আগে দলের ভেতরে দুর্বল জনমত জরিপ ও নেতৃত্ব পরিবর্তনের…

ভিক্টোরিয়ায় ১২ মাসে ৩৮ হাজারের বেশি বাড়িওয়ালার আইনি পদক্ষেপ

মেলবোর্ন, ৭ জুন: অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্যে বাড়ি ভাড়ার বড় ধরনের সংকটের চিত্র উঠে এসেছে। গত ১২ মাসে ৩৮,৫০০-এর বেশি বাড়িওয়ালা তাদের ভাড়াটিয়াদের বিরুদ্ধে আইনি বা…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au