ইউরোপজুড়ে জিপিএস সংকেত বিঘ্নিত করছে রুশ স্যাটেলাইট
মেলবোর্ন, ৭ জুন- ইউরোপের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে কয়েক বছর ধরে চলা রহস্যজনক জিপিএস সংকেত বিঘ্নের পেছনে রাশিয়ার স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক জড়িত থাকতে পারে বলে দাবি করেছেন গবেষকরা।…
মেলবোর্ন, ৭ জুন- দেশে বিমান পরিবহন খাতে ব্যবহৃত জেট ফুয়েলের দাম আবারও কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন ঘোষণায় অভ্যন্তরীণ রুটে ব্যবহৃত জেট ফুয়েলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা ৬৭ পয়সা কমিয়ে ১৫০ টাকা ৪১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। রোববার (৭ জুন) জারি করা এক আদেশে নতুন এই মূল্য কার্যকরের ঘোষণা দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
বিইআরসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক রুটে পরিচালিত বিমান সংস্থাগুলোর জন্যও জেট ফুয়েলের দাম কমানো হয়েছে। নতুন দরে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে শূন্য দশমিক ৯৮০৮ মার্কিন ডলার, যা আগে ছিল ১ দশমিক ০৮২৩ মার্কিন ডলার। ফলে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনাকারী এয়ারলাইনসগুলোর পরিচালন ব্যয় কিছুটা কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এর আগে গত ২৩ মে জেট ফুয়েলের দাম লিটারপ্রতি ৩৯ টাকা ৫৭ পয়সা কমিয়ে ১৬৫ টাকা ৮৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তারও আগে কয়েক দফা মূল্যবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় গত ৭ এপ্রিল দেশীয় রুটে জেট ফুয়েলের দাম লিটারপ্রতি ২২৭ টাকায় পৌঁছেছিল, যা ছিল সাম্প্রতিক সময়ের সর্বোচ্চ পর্যায়।
সর্বশেষ মূল্যহ্রাসের ফলে গত দুই মাসে জেট ফুয়েলের দাম মোট ৫৭ টাকারও বেশি কমেছে। এতে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উভয় রুটে পরিচালিত বিমান সংস্থাগুলোর জ্বালানি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিমান খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জ্বালানি ব্যয় এয়ারলাইনস পরিচালনার অন্যতম প্রধান খরচ। ফলে জেট ফুয়েলের মূল্য কমে যাওয়ায় বিমান সংস্থাগুলোর আর্থিক চাপ কিছুটা লাঘব হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাত্রী ভাড়ার ক্ষেত্রেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের ওঠানামা এবং আমদানি ব্যয়ের সঙ্গে সমন্বয় করেই জেট ফুয়েলের মূল্য নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। সাম্প্রতিক মূল্যহ্রাস দেশের বিমান পরিবহন খাতের জন্য স্বস্তির বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au