প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারি, ভারতে টেলিগ্রাম নিষিদ্ধ
মেলবোর্ন, ১৭ জুন- ভারতের জাতীয় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁস ও প্রতারণার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দেশটিতে প্রথমবারের মতো জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রাম সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ…
মেলবোর্ন, ১৬ জুন- ইরানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি দেশটির ক্ষমতাসীন শাসনব্যবস্থার জন্য ‘শেষের শুরুর’ সংকেত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজবিজ্ঞানী ড. সোমাইয়েহ খানী। তার অভিযোগ, ইরানি সরকার দেশের অবকাঠামো, তরুণ প্রজন্ম ও জাতীয় ভবিষ্যতের চেয়ে আঞ্চলিক মিত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্রমবর্ধমান ক্ষোভের জন্ম দিচ্ছে।
এক উপস্থাপক অ্যান্ড্রু বোল্টের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ড. খানী বলেন, চলমান আঞ্চলিক সংকট ও কূটনৈতিক আলোচনায় ইসরায়েল সরাসরি অংশ না হলেও পরিস্থিতি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে ইরানি শাসকগোষ্ঠীর অগ্রাধিকার কোথায়।
তিনি বলেন, “বিশ্ব দেখেছে যে ইরানের সরকারের কাছে হিজবুল্লাহ দেশের অবকাঠামো, ইরানের তরুণ সমাজ এবং দেশের ভবিষ্যতের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”
ড. খানীর মতে, দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক সংকট, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, বেকারত্ব এবং সামাজিক অসন্তোষের চাপের মধ্যে থাকা ইরানি জনগণ এখন সরকারের নীতি ও অগ্রাধিকার নিয়ে আরও বেশি প্রশ্ন তুলছে। বিশেষ করে দেশের অভ্যন্তরীণ উন্নয়নের পরিবর্তে বিদেশে রাজনৈতিক ও সামরিক প্রভাব বিস্তারে বিপুল সম্পদ ব্যয় করাকে অনেক নাগরিক নেতিবাচকভাবে দেখছেন।
তিনি আরও বলেন, “আমরা মনে করি, এটি শেষের শুরুর ইঙ্গিত। জনগণের চাহিদা ও বাস্তবতা থেকে সরকার যত দূরে সরে যাবে, ততই তাদের প্রতি মানুষের আস্থা কমবে।”
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের অভ্যন্তরে অর্থনৈতিক চাপ, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা একসঙ্গে দেশটির শাসনব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। তবে ড. খানীর এই মন্তব্য ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ ও রাজনৈতিক মূল্যায়ন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং এ বিষয়ে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরানের অভ্যন্তরীণ নীতি, পররাষ্ট্র কৌশল এবং আঞ্চলিক মিত্রদের প্রতি সমর্থন নিয়ে দেশটির ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে ড. খানীর মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au