বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার
মেলবোর্ন, ২৬ জুন- বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ,…
মেলবোর্ন, ২৬ জুন- বাংলাদেশ মানে ছয় ঋতুর দেশ। এই দেশের মাটিতে যেমন পদ্মা-মেঘনা-যমুনা বয়ে গেছে, তেমনি বয়ে গেছে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান—চার সম্প্রদায়ের যৌথ স্মৃতি। আমাদের উৎসব, গান, খাবার, ভাষা—সবকিছুতে মিশে আছে বহুত্বের ছাপ। একুশের ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ—কোনোটাই ধর্ম দেখে হয়নি। এটাই বাংলাদেশের আসল শক্তি। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উগ্র গোষ্ঠীর উত্থান ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতার আশংকা এই শেকড়কে নাড়া দিচ্ছে।
১. বাংলার সম্প্রীতি: হাজার বছরের ইতিহাস
বাংলাদেশের সমাজ গড়ে উঠেছে পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে।
ধর্মীয় সহাবস্থানের নজির:
সুফি সাধকরা ১৩-১৪ শতকে যখন বাংলায় আসেন, তখন তারা তলোয়ার নিয়ে আসেননি। এসেছিলেন প্রেম, সংগীত ও সেবা নিয়ে। লালনের গান, বাউল দর্শন—সবখানে “মানুষের ধর্ম” বড়। খুলনা-বাগেরহাটে ষাট গম্বুজ মসজিদের পাশে হিন্দু জমিদারদের মন্দির। দিনাজপুরে কান্তজিউ মন্দিরের কারিগর ছিল মুসলিম মিস্ত্রি। ঢাকার মিশন রোডে গির্জার পাশে মসজিদ, প্যাগোডা। এই দৃশ্য হাজার বছর পুরনো।
উৎসবের যৌথতা:
পহেলা বৈশাখে মুসলিম কৃষক যেমন নতুন ধান ঘরে তোলে, হিন্দু পরিবারও মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নেয়। ঈদে হিন্দু প্রতিবেশীর বাড়িতে সেমাই যায়, দুর্গাপূজায় মুসলিম যুবক প্যান্ডেল পাহারা দেয়। বড়দিনে খ্রিস্টান পাড়ায় মুসলিম দোকানদার ক্রিসমাস ট্রি সাজায়। বৌদ্ধ পূর্ণিমায় পাহাড়ি অঞ্চলে বাঙালি মুসলিমরা “দান” অনুষ্ঠানে যায়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো BBS ২০২ অনুযায়ী, দেশের জনসংখ্যার ৯১% মুসলিম, ৭.৯% হিন্দু, ০.৬% বৌদ্ধ, ০.৪% খ্রিস্টান। এই সংখ্যালঘু মানুষরাই আমাদের সংস্কৃতির রঙ।
মুক্তিযুদ্ধের ঐক্য:
১৯৭১ এ পাকিস্তানি বাহিনী যখন “হিন্দু মারো” বলে গুলি চালায়, তখন মুসলিম মুক্তিযোদ্ধা তাদের আশ্রয় দিয়েছে। রাঙামাটির বৌদ্ধ ভিক্ষু অস্ত্র তুলে নিয়েছেন, খ্রিস্টান মিশনারি স্কুল হয়েছে আহত মুক্তিযোদ্ধার হাসপাতাল। শহীদ মিনার, জাতীয় স্মৃতিসৌধ—এগুলো কোনো ধর্মের না, সব বাঙালির।
২. মূল্যবোধ: সম্মান, ভালোবাসা, সহমর্মিতা
সম্প্রীতি মানে শুধু “পাশাপাশি থাকা” না। এর ৫টি স্তম্ভ আছে:
১. সম্মান: আমার ধর্ম আমার কাছে বড়, তোমার ধর্ম তোমার কাছে। কেউ কারো উপাসনালয়, ধর্মগ্রন্থ, প্রতীক নিয়ে কটূক্তি করব না। এটা সাংবিধানিক অধিকারও। সংবিধানের ৪১ অনুচ্ছেদ ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করে।
২. আন্তরিকতা: গ্রামের চায়ের দোকানে বসে হিন্দু-মুসলিম একসাথে চা খায়। একজনের মেয়ের বিয়ে, আরেকজন সাহায্য করে। এই আন্তরিকতা রাষ্ট্র বানাতে পারে না, মানুষ বানায়।
৩. সহমর্মিতা: ২০২০ এর করোনায় দেখা গেছে—মুসলিম যুবক হিন্দু পাড়ায় চাল দিয়েছে, হিন্দু ডাক্তার মুসলিম রোগীকে রাত জেগে সেবা দিয়েছে। বানভাসি মানুষের ধর্ম থাকে না।
৪. ভালোবাসা: বাংলা সাহিত্য, গান, সিনেমা—সবখানে ভালোবাসা ধর্ম-জাতি মানে না। “মোরা এক বৃন্তে দুটি কুসুম” নজরুল লিখেছেন। এই লাইনই বাংলাদেশ।
৫. দৃষ্টিভঙ্গি: আমরা “তুমি-আমি” না দেখে “আমরা” দেখব। স্কুলের বই, মিডিয়া, রাজনৈতিক বক্তব্য—সবখানে বিভাজনের ভাষা বাদ দিয়ে ঐক্যের ভাষা আনতে হবে।
৩. উগ্র গোষ্ঠীর উত্থান: আশংকা ও বাস্তবতা
সম্প্রীতির পাশাপাশি বিগত ২০ বছরে কিছু উগ্র গোষ্ঠীর তৎপরতা দেখা গেছে। এদের লক্ষ্য একটাই—বাংলার এই বহুত্ববাদী কাঠামো ভেঙে দেওয়া।
উত্থানের ধরন:
১. জঙ্গি সংগঠন: ২০০৫ এ জামায়াতুল মুজাহিদিন JMB এর বোমা হামলা, ২০১৬ এ গুলশান হোলি আর্টিজান হামলা। এদের টার্গেট ছিল বিদেশি, সংখ্যালঘু, ভিন্নমতের মানুষ।
২. অনলাইন উগ্রবাদ: ফেসবুক, ইউটিউবে “ধর্ম অবমাননা” ইস্যুকে পুঁজি করে ঘৃণা ছড়ানো। ২০১৩-২০১৪ এ ব্লগার হত্যা, ২০২১ এ কুমিল্লার পূজা মণ্ডপে ঘটনা—সবকিছুর পেছনে সোশ্যাল মিডিয়ার গুজব ছিল।
৩. রাজনৈতিক মেরুকরণের সুযোগ: ৫ আগস্ট ২০২৪ এর পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অনুপস্থিতিতে অনেক নৃশংসতা হয়েছে সংখ্যালঘুদের ওপর। দীপু চন্দ্র সহ আরো কয়েকজনকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। বিশেষ করে বাড়ি, মন্দির, দোকানে হামলা হয়। Ain o Salish Kendra ASK এর হিসাব অনুযায়ী, আগস্ট-সেপ্টেম্বর ২০২৪ এ ৩৭৮টি ঘটনা রেকর্ড হয়। এর মধ্যে ৬০% লুটপাট ও জমি দখলের ঘটনা। কিন্তু উগ্র গোষ্ঠী এগুলোকে “ধর্মযুদ্ধ” হিসেবে প্রচার করে।
আশংকার জায়গা:
ক. সংখ্যালঘুদের মনে ভয় ঢোকানো—তারা যেন দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।
খ. মুসলিম তরুণদের মাঝে “আমরা নির্যাতিত” বয়ান ঢুকিয়ে উগ্রতার দিকে ঠেলা।
গ. বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করে বিদেশি বিনিয়োগ, পর্যটন বন্ধ করা।
ঘ. ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নষ্ট করা, কারণ এখানকার হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ক ভারতের রাজনীতিতে ইস্যু হয়।
তবে বাস্তবতা হলো—এই উগ্র গোষ্ঠী সংখ্যায় খুবই কম। ১৮ কোটি মানুষের দেশে ৩৭৮টি ঘটনা ঘটলে তা নিন্দনীয়, কিন্তু “সারা দেশ জ্বলছে”—এই বয়ান মিথ্যা। ২০২৪ এর সেপ্টেম্বরে একটি বেসরকারি জরিপে ৮৪% মানুষ বলেছেন, “তাদের এলাকায় হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কে টানাপোড়েন নেই”।
৪. ভয়ের রাজনীতি বনাম ভালোবাসার রাজনীতি
উগ্র গোষ্ঠী ভয় দিয়ে রাজনীতি করে। তারা বলে—“তোমার ধর্ম বিপদে”। আর সম্প্রীতির রাজনীতি বলে—“আমাদের দেশ বিপদে”।
ভয়ের রাজনীতির কৌশল:
গুজব ছড়ানো → পাল্টা প্রতিক্রিয়া → সংঘর্ষ → মেরুকরণ। ২০১২ এ রামুতে বৌদ্ধ বিহারে হামলা, ২০১৬ এ নাসিরনগরে হিন্দু বাড়িতে হামলা—সবই শুরু হয়েছিল ফেসবুকের একটা ভুয়া পোস্ট দিয়ে।
ভালোবাসার রাজনীতির কৌশল:
সত্য যাচাই → সংলাপ → যৌথ উদ্যোগ → আস্থা। ২০২১ এ কুমিল্লার ঘটনার পর স্থানীয় মুসলিম আলেমরা মাইকে ঘোষণা দিয়ে হিন্দু পাড়া পাহারা দিয়েছেন। নোয়াখালীতে মুসলিম যুবকরা মন্দির পুনর্নির্মাণে শ্রম দিয়েছে। এই দৃশ্যগুলো ভাইরাল হয় না, কিন্তু এটাই বাংলাদেশ।
৫. প্রতিকার: সম্প্রীতি রক্ষার ৭ দফা
উগ্রতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে হলে শুধু পুলিশ দিয়ে হবে না। সমাজ, রাষ্ট্র, শিক্ষা—সবাইকে নামতে হবে।
১. আইনের কঠোর প্রয়োগ ও নিরপেক্ষতা:*
যে ধর্মেরই হোক, যে দলেরই হোক—অপরাধী অপরাধী। ২০০৯ এ বাগেরহাটে মন্দির ভাঙার আসামি যেমন গ্রেপ্তার হয়েছে, ২০১৬ এ গুলশান হামলার আসামিও গ্রেপ্তার হয়েছে। এই নিরপেক্ষতা মানুষের আস্থা ফেরায়। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে থানা হামলা ভাংচুর হয়েছে। তিন হাজারের বেশি পুলিশ সদস্যকে নির্মমভাবে মারা হয়েছে। সঠিক তদন্ত করে দোষীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা দরকার।
২. শিক্ষায় “সম্প্রীতি পাঠ”:
প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত পাঠ্যবইয়ে ১০ পৃষ্ঠা রাখতে হবে—“বাংলাদেশের বহুত্ববাদ” নামে। সেখানে রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, লালন, জীবনানন্দের পাশাপাশি রাঙামাটির বৌদ্ধ ভিক্ষু, বরিশালের খ্রিস্টান শিক্ষকের গল্প থাকবে। ২০২৩ এ ভারতের NCERT কারিকুলামে “Constitutional Values” যুক্ত করে ফল পেয়েছে।
৩. ধর্মীয় নেতৃত্বের যৌথ ফোরাম:
জাতীয় পর্যায়ে “বাংলাদেশ আন্তঃধর্মীয় পরিষদ”। ইমাম, পুরোহিত, ভিক্ষু, ফাদার—সবাই থাকবেন। তারা যৌথভাবে ঘোষণা দেবেন—“ধর্মের নামে সহিংসতা হারাম”। ২০১৫ এ পোপ ফ্রান্সিস ও আল-আজহারের গ্র্যান্ড ইমামের যৌথ ঘোষণা সারা বিশ্বে প্রভাব ফেলেছিল।
৪. মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়া মনিটরিং:
গুজব ধরার জন্য AI টুল লাগবে। ফেসবুক, ইউটিউবের সাথে চুক্তি—বাংলা ভাষার ঘৃণামূলক কনটেন্ট ৩ ঘণ্টার মধ্যে ডাউন। পাশাপাশি “সত্য প্রচারক” টিম—মাদ্রাসার ছাত্র, কলেজের ছাত্র মিলে যৌক্তিক ভিডিও বানাবে।
৫. অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি:
উগ্রবাদ দারিদ্র্যের মাটিতে জন্মায়। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় ক্ষুদ্রঋণ, দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্প বাড়াতে হবে। দিনাজপুর, সুনামগঞ্জ, বান্দরবানের আদিবাসী এলাকায় বিশেষ বরাদ্দ। যখন পেটে ভাত থাকবে, তখন মাথায় ঘৃণা ঢুকবে না।
৬. সাংস্কৃতিক প্রতিরোধ:
বছরে ১ দিন “বাংলাদেশ সম্প্রীতি দিবস”। সব জেলা-উপজেলায় হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান মিলে গান, নাটক, মেলা করবে। সরকারি-বেসরকারি চ্যানেলে এক ঘণ্টার বিশেষ অনুষ্ঠান। সংস্কৃতিই উগ্রতার সবচেয়ে বড় প্রতিষেধক।
৭. পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ:
সহিংসতার শিকার পরিবার—ধর্ম নির্বিশেষে—দ্রুত ক্ষতিপূরণ পাবে। বাড়ি-দোকান পুনর্নির্মাণে সরকারি সহায়তা। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মনে ক্ষোভ জমতে দিলে তা পরের প্রজন্মকে উগ্র করে।
বাংলাদেশের মডেল: বিশ্বকে দেখানোর মতো
পৃথিবীর অনেক দেশ ধর্মীয় দাঙ্গায় জর্জরিত। ভারতে গুজরাট ২০০২, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা ২০১৭, শ্রীলঙ্কায় ইস্টার বোমা ২০১৯। বাংলাদেশের শক্তি হলো—আমরা ১৯৭১ এ ধর্মের ভিত্তিতে দেশ ভাগ করিনি। আমরা ভাষা ও মানবতার ভিত্তিতে দেশ বানিয়েছি।
জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য SDG 16 বলে—“শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান”। বাংলাদেশ চাইলে SDG 16 এর মডেল হতে পারে। এখানে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে হিন্দু মন্ত্রী, বৌদ্ধ সচিব, খ্রিস্টান বিচারপতি—সবাই কাজ করেছেন। এটা পৃথিবীর খুব কম দেশে আছে।
বাংলাদেশ ইতিহাস ঐতিহ্য কেন্দ্রের গবেষণা বলে—১৯৪৭ এর দেশভাগের সময় সাতক্ষীরা-খুলনা সীমান্তে বহু মুসলিম পরিবার হিন্দু প্রতিবেশীর চাল-ধান লুকিয়ে রেখেছিল। ১৯৭১ এ পাকবাহিনীর হাত থেকে বাঁচাতে হিন্দু পরিবার মুসলিম প্রতিবেশীর ঘরে আশ্রয় নিয়েছিল। এই স্মৃতিগুলো বইয়ে লিখতে হবে, বাচ্চাদের শোনাতে হবে।
ভয়কে জয় করবে ভালোবাসা-
উগ্র গোষ্ঠী চায় আমরা ভয় পাই। ভয় পেয়ে হিন্দু যেন ভারতে চলে যায়, মুসলিম যেন সন্দেহের চোখে দেখে, বৌদ্ধ-খ্রিস্টান যেন কোণঠাসা হয়। কিন্তু আমরা ভয় পাব না। কারণ আমাদের শেকড় অনেক গভীরে।
বাংলাদেশ মানে আজানও শোনা যায়, শঙ্খও বাজে, ঘণ্টাও বাজে। মানে ঈদের সেমাইও আছে, পূজার নৈবেদ্যও আছে, বড়দিনের কেকও আছে। মানে লাল-সবুজ পতাকার নিচে সবাই বাংলাদেশি।
উগ্রতা আসবে, যাবে। কিন্তু পদ্মা-মেঘনা থাকবে, বাংলা ভাষা থাকবে, মানুষ থাকবে। আর মানুষ যদি একে অন্যকে সম্মান করে, ভালোবাসে, সহমর্মী হয়—তাইলে পৃথিবীর কোনো শক্তি এই দেশকে ভাঙতে পারবে না।
আসুন, আমরা প্রতিজ্ঞা করি—আমার পাশের বাড়ির মানুষটা হিন্দু না মুসলিম, সেটা বড় কথা না। বড় কথা সে আমার প্রতিবেশী, আমার দেশের মানুষ। তার বিপদে আমি ঝাঁপিয়ে পড়ব, তার উৎসবে আমি শামিল হব। এই মানসিকতাই বাংলাদেশকে বাঁচাবে।
কারণ বাংলাদেশের আত্মা সম্প্রীতিতে। আর আত্মা মরলে দেহ বাঁচে না।
লেখক- সরদার সেলিম রেজা, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, পরিবেশ কর্মী, সভাপতি: বাংলাদেশ ইতিহাস ঐতিহ্য কেন্দ্র
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au