লেবাননে ইসরায়েলি প্লাটুন কমান্ডার নিহত
মেলবোর্ন, ২৮ জুন- লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে হিজবুল্লাহর সশস্ত্র সদস্যদের হামলায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এক প্লাটুন কমান্ডার নিহত হয়েছেন। শনিবার গভীর রাতে দেইর সিরিয়ান এলাকায় অভিযান চালানোর সময়…
মেলবোর্ন, ২৮ জুন- যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার একটি ‘নো-কিল’ বা প্রাণী হত্যা না করার নীতিতে পরিচালিত পশু আশ্রয়কেন্দ্র থেকে ১১৭টি কুকুরের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উদ্ধার হওয়া কুকুরগুলোর অনেকগুলোর দেহে গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় প্রাণী নির্যাতন, জালিয়াতি এবং বিপুলসংখ্যক প্রাণীর নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, হামবোল্ট কাউন্টির মিরান্ডাস রেসকিউ অ্যানিমেল স্যাঙ্কচুয়ারি নামের আশ্রয়কেন্দ্রে গণকবরের তথ্য পেয়ে অভিযান চালায় হামবোল্ট কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়। তল্লাশিতে মাটি খুঁড়ে ১১৭টি কুকুরের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে কিছু মরদেহ অক্ষত থাকলেও অনেকগুলো পচে গেছে বা কঙ্কালে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ৬০০টি কুকুরের গলার বেল্ট, ২১টি কুকুরের খুলি এবং শত শত হাড়ও উদ্ধার করা হয়েছে।
তদন্তকারীরা জানান, উদ্ধার হওয়া ৭০টি কুকুরের দেহাবশেষে এক্স-রে পরীক্ষা চালানো হয়। এতে অনেক কুকুরের শরীরে গুলির টুকরা পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অন্তত কয়েকটি কুকুরকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরু থেকে আশ্রয়কেন্দ্রটি প্রায় ৯০০টি প্রাণী গ্রহণ করেছিল। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে মাত্র ১১৬টি কুকুরকে নতুন মালিকের কাছে হস্তান্তরের তথ্য পাওয়া গেছে। ফলে ৭০০টিরও বেশি কুকুরের অবস্থান নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দেয়। এরপরই সম্ভাব্য জালিয়াতি ও প্রাণী নির্যাতনের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এক প্রতিবেশী অনুমতি ছাড়াই আশ্রয়কেন্দ্রের একটি অংশে প্রবেশ করে মাটি খুঁড়ে মৃত কুকুর দেখতে পান। পরে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হলে তদন্তের সূত্রপাত হয়।
হামবোল্ট কাউন্টির শেরিফ উইলিয়াম হনসাল বলেন, তদন্তে পাওয়া তথ্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আশ্রয়কেন্দ্রের কার্যক্রম, প্রাণীগুলোর হিসাব এবং তাদের মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অভিযুক্ত আশ্রয়কেন্দ্রের মালিক ও পরিচালক শ্যানন মিরান্ডা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, এটি একটি ‘নো-কিল’ আশ্রয়কেন্দ্র ছিল এবং অন্য কোথাও জায়গা না পাওয়া প্রাণীদের এখানে আশ্রয় দেওয়া হতো। তার ভাষ্য, কেবল মরণব্যাধিতে আক্রান্ত অথবা অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে ওঠা প্রাণীদেরই মানবিক উপায়ে ‘ইউথানেসিয়া’ বা ব্যথাহীন মৃত্যু দেওয়া হয়েছে। জায়গা খালি করার জন্য কোনো প্রাণীকে হত্যা করা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষ, গুলির চিহ্ন এবং শত শত প্রাণীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তদন্ত আরও জোরদার করেছে হামবোল্ট কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়। কর্তৃপক্ষ বলছে, সব আলামত সংগ্রহ করে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au