ইউনূস আমলে দুর্নীতি ও ঘুষ: দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তের দাবি
মেলবোর্ন, ৩ জুলাই- ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) এক জরিপে দেখা গেছে, ২০২৫ সালে আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় বেশি সংখ্যক পরিবার সরকারি সেবা নিতে গিয়ে…
মেলবোর্ন, ৩ জুলাই- ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায় অনুষ্ঠানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে তেহরান। ইরানের সামরিক বাহিনী বলেছে, শেষ বিদায়ের সময় কিংবা এর আগে দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের হামলা বা উসকানিমূলক পদক্ষেপের কঠোর জবাব দেওয়া হবে। এ অবস্থায় দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদরদপ্তরের কমান্ডার আলি আবদোল্লাহি বলেন, ইরানের শত্রুদের, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে যেকোনো ভুল সিদ্ধান্ত বা ভুল হিসাব থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে। তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের হুমকি বা আগ্রাসনের কঠোর ও তাৎক্ষণিক জবাব দিতে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
ইরানের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রথম দিন বিমান হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। এরপর তাঁর রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায়ের প্রস্তুতি শুরু হয়। আগামী শনিবার রাজধানী তেহরানে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে শোকযাত্রা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার শেষ পর্ব অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৯ জুলাই, যখন তাঁকে তাঁর জন্মশহর মাশহাদে দাফন করা হবে।
খামেনির মৃত্যুর চার মাসেরও বেশি সময় পর তাঁর দাফন অনুষ্ঠিত হতে যাওয়ায় মরদেহ সংরক্ষণের বিষয়টি নিয়েও নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে জর্জ ওয়াশিংটন প্রোগ্রামের চরমপন্থা ও সন্ত্রাসবাদবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ড. মোহাম্মদ ওমর ফক্স নিউজ ডিজিটালকে বলেন, খামেনির মরদেহ রাসায়নিক পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা হয়নি বলেই ধারণা করা হচ্ছে। বরং শীতলীকরণ ব্যবস্থার মাধ্যমে তা সংরক্ষণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী মরদেহ রাসায়নিকভাবে সংরক্ষণ বা এমবামিং সাধারণভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে, বিশেষ করে শিয়া ইসলামী আইন অনুযায়ী, দাফন বিলম্বিত হলে শীতলীকরণ ব্যবস্থায় মরদেহ সংরক্ষণের সুযোগ রয়েছে।
এদিকে খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে বিপুল জনসমাগমের প্রত্যাশা করছে ইরান সরকার। দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জনগণকে ব্যাপকভাবে অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ইরানের কর্মকর্তাদের ধারণা, রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে এক কোটি ৫০ লাখ থেকে দুই কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানী তেহরান ও মাশহাদে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য যেকোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় সামরিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au