আগে ‘শিবির’, এখন ‘ছাত্রলীগ’: বদলায়নি ট্যাগিংয়ের রাজনীতি
বাংলাদেশের রাজনীতিতে কোনো ব্যক্তিকে রাজনৈতিক দল, সংগঠন বা মতাদর্শের সঙ্গে যুক্ত করে চিহ্নিত করার প্রবণতা দীর্ঘদিনের। সময়ের সঙ্গে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ক্ষমতার সমীকরণ বদলালেও এই…
মেলবোর্ন, ১৬ জুলাই- ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা জর্ডানের আজরাক বিমানঘাঁটিতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এবং প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। ইরানের দাবি অনুযায়ী, হামলায় মার্কিন বাহিনীর সামরিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্থায়ী রাডার স্থাপনা এবং জ্বালানি সংরক্ষণাগারকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
ইরানের সেনাবাহিনীর প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই হামলা তাদের চলমান ‘সায়েকেহ’ অভিযানের নবম ধাপের অংশ। তেহরানের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় চালানো হামলার জবাব হিসেবেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বিশেষ করে ইরানশাহরের বাম্পুর ব্যারাকে হামলায় সাত সেনা সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করে, তারা কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর লক্ষ্যবস্তুতে যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রচারিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, তাদের ‘নাসর-২’ অভিযানের অষ্টম ধাপে ঘাঁটির আগাম সতর্কীকরণ রাডার এবং মার্কিন সেনাদের একটি সমাবেশস্থল লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য কুয়েতের ভূখণ্ড ব্যবহার করছে। একই সঙ্গে কুয়েতের জনগণের প্রতি দেশটিতে অবস্থানরত মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবি তোলার আহ্বান জানায় আইআরজিসি।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা ইরানের বিরুদ্ধে সর্বশেষ দফার সামরিক অভিযান সম্পন্ন করেছে। সেন্টকমের বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযানে ইরানের কমান্ড সেন্টার, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা, উপকূলীয় নজরদারি স্থাপনা এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামোতে নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়েছে।
সেন্টকমের দাবি, এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নৌপরিবহনের জন্য ইরানের সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলার সক্ষমতা দুর্বল করা। তাদের তথ্যমতে, অভিযানের লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসের একাধিক সামরিক স্থাপনাও ছিল।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি সামরিক অভিযানের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। পরিস্থিতি ঘিরে আন্তর্জাতিক মহল গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে এবং সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
সুত্রঃ আল জাজিরা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au