বেরোবিতে কেন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ল ছাত্রদল-শিবির
মেলবোর্ন, ৪ আগস্ট : রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ছাত্রশিবিরের আয়োজিত একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে ইসলামী ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের…
মেলবোর্ন, ৩ আগস্ট: রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক হিসেবে বিবেচিত মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য জেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করেছে সরকার। এ সংক্রান্ত কার্যক্রমকে সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও নির্ধারিত প্রক্রিয়ার আওতায় আনতে কমিটির গঠন, দায়িত্ব, কার্যপরিধি এবং আবেদন নিষ্পত্তির পদ্ধতি নির্ধারণ করে সম্প্রতি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে আবেদন যাচাই-বাছাই করে সরকারের কাছে সুপারিশ পাঠানোর দায়িত্ব পালন করবে জেলা পর্যায়ের এই কমিটি।
যাঁরা থাকবেন কমিটিতে
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সদস্য হিসেবে থাকবেন জেলার পুলিশ সুপার এবং পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি)। এছাড়া অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
মহানগর এলাকায় কমিটির কাঠামোয় কিছু পরিবর্তন রাখা হয়েছে। সেখানে পুলিশ সুপারের পরিবর্তে পুলিশের একজন ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) এবং পাবলিক প্রসিকিউটরের পরিবর্তে মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
যেভাবে আবেদন করা যাবে
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের জন্য সংশ্লিষ্ট মামলার কোনো আসামি আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া আসামির পক্ষে তাঁর বাবা, মা, স্ত্রী বা স্বামী, ভাই, বোন, ছেলে কিংবা মেয়ের মধ্যে যেকোনো একজনও আবেদন করতে পারবেন।
একাধিক আসামি থাকলে তাঁদের সবার পক্ষে একটি আবেদন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জমা দেওয়া যাবে।
আবেদনের সঙ্গে যা জমা দিতে হবে
আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মামলার প্রয়োজনীয় সব দলিলের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিতে হবে। এসব কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট আইনজীবীর মাধ্যমে সত্যায়িত হতে হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আগের নির্দেশনা বাতিল
নতুন প্রজ্ঞাপন জারির ফলে এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২১ মে জারি করা আগের প্রজ্ঞাপন বাতিল বলে গণ্য হবে। নতুন নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানানো হয়েছে।
সরকারের এই উদ্যোগের মাধ্যমে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়েছে বলে অভিযোগ থাকা মামলাগুলো নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাই করে প্রত্যাহারের বিষয়ে সুপারিশ করা হবে। সংশ্লিষ্ট জেলা কমিটির মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au