বেরোবিতে কেন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ল ছাত্রদল-শিবির
মেলবোর্ন, ৪ আগস্ট : রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ছাত্রশিবিরের আয়োজিত একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে ইসলামী ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের…
মেলবোর্ন, ৪ আগস্ট: ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কোনো ব্যক্তি যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, সে বিষয়ে ভারত সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে এ ধরনের কর্মকাণ্ড দুই দেশের বিদ্যমান ইতিবাচক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ বিষয়টি উত্থাপন করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী। আজ সোমবার বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েছবি: সংগৃহীত
এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট প্রকাশ্যে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে পারেন বলে যে আলোচনা চলছে, সেটিও বৈঠকে উঠে আসে।
পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ভারতীয় হাইকমিশনারকে জানান, পলাতক শেখ হাসিনাসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো ব্যক্তি যাতে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন বা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে না পারেন, সে বিষয়ে বাংলাদেশ ভারতের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ইতিবাচক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অগ্রগতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারতের হাইকমিশনার বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেওয়া এবং এ বিষয়ে সচেষ্ট থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।
বৈঠকে উভয় পক্ষ নিয়মিত সংলাপ ও গঠনমূলক সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি পারস্পরিক আস্থা, আলোচনা ও সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধান সম্ভব বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au