বেরোবিতে কেন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ল ছাত্রদল-শিবির
মেলবোর্ন, ৪ আগস্ট : রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ছাত্রশিবিরের আয়োজিত একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে ইসলামী ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের…
মেলবোর্ন, ৩ আগস্ট: অস্ট্রেলিয়ার সর্বশেষ জনমত জরিপে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত মিলেছে। জরিপ অনুযায়ী, পরবর্তী ফেডারেল নির্বাচনে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আর কোয়ালিশন নয়, বরং ডানপন্থী ওয়ান নেশন পার্টি উঠে এসেছে।
রয় মরগান পরিচালিত এই জরিপে দেখা গেছে, বর্তমানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে অস্ট্রেলিয়ান লেবার পার্টি (এএলপি) সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে সক্ষম হবে। তা প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ওয়ান নেশন হোক কিংবা কোয়ালিশন।
জরিপে লেবার পার্টির প্রাথমিক ভোট সমর্থন ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ। ওয়ান নেশনের সমর্থন ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৪ শতাংশে। অন্যদিকে লিবারেল পার্টির সমর্থন ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ২০ শতাংশে পৌঁছেছে। ন্যাশনাল পার্টির সমর্থন অপরিবর্তিত থেকে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ রয়েছে।

নতুন এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, এখনই যদি অস্ট্রেলিয়ায় ফেডারেল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ওয়ান নেশন বা কোয়ালিশন যে-ই থাকুক না কেন, লেবার পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে পারবে। ছবি: নিউজওয়্যার / ব্রেন্টন এডওয়ার্ডস।
এদিকে সরকারের প্রতি জনগণের আস্থাও কিছুটা কমেছে। রয় মরগানের তথ্যমতে, সরকারের প্রতি সামগ্রিক আস্থার সূচক ১ দশমিক ৫ পয়েন্ট কমে ৬৭ দশমিক ৫-এ নেমে এসেছে।
জরিপে অংশ নেওয়া ৫৯ দশমিক ৫ শতাংশ অস্ট্রেলীয় মনে করেন, দেশ “ভুল পথে এগোচ্ছে”। এ হার আগের তুলনায় ১ দশমিক ৫ পয়েন্ট বেশি।

নতুন জনমত জরিপে উঠে এসেছে, আজ যদি অস্ট্রেলিয়ায় ফেডারেল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তবে অ্যাঙ্গাস টেইলরের নেতৃত্বাধীন কোয়ালিশন পরাজিত হবে। ছবি: নিউজওয়্যার / গেই জেরার্ড।
সরকারের প্রতি আস্থার ক্ষেত্রেও বিভিন্ন দলের সমর্থকদের মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা গেছে। লেবার সমর্থকদের আস্থার সূচক সবচেয়ে বেশি, যা ১৩৭ দশমিক ৫। গ্রিনস সমর্থকদের আস্থার সূচক ৭০, যা আগের তুলনায় ১৬ দশমিক ৫ পয়েন্ট কমেছে। কোয়ালিশন সমর্থকদের ক্ষেত্রে এ সূচক ৫০, যা ৭ দশমিক ৫ পয়েন্ট বেড়েছে। অন্যদিকে ওয়ান নেশন সমর্থকদের সরকারের প্রতি আস্থার সূচক মাত্র ৬ দশমিক ৫, যা আগের তুলনায় ৭ পয়েন্ট কম।
রয় মরগানের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, আগামী ফেডারেল নির্বাচনের লড়াই আগের মতো শুধু লেবার ও কোয়ালিশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং লেবার, ওয়ান নেশন ও কোয়ালিশনের মধ্যে বিভিন্ন আসনে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যেতে পারে। পাশাপাশি গ্রিনস, টিল স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং অন্যান্য ছোট দল, যেমন কেটার্স অস্ট্রেলিয়ান পার্টিও (কেএপি) নির্বাচনী সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এদিকে এ রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই ওয়ান নেশন নেতা Pauline Hanson সোমবারের একটি অনুষ্ঠানে The Guardian, ABC এবং The Age-এর সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। ওই অনুষ্ঠানে আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় ভিক্টোরিয়া অঙ্গরাজ্য নির্বাচনের জন্য দলের আটজন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করার কথা রয়েছে।
সূত্র:নিউজ.কম.এইউ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au