আজমুল হত্যা মামলায় চারজনের নাম, নেই গ্রেপ্তার
খুলনায় নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. আজমুল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অন্যতম…
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে সম্ভাব্য বিক্ষোভ ও লংমার্চ ঘিরে নিরাপত্তা শঙ্কায় সোমবার কয়েকটি সরকারি স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে স্কুল কর্তৃপক্ষ আগেই শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের ছুটির বিষয়টি জানিয়ে দেয়।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ইসলামাবাদের জি-৭ সেক্টর ও সিতারা মার্কেট এলাকার কয়েকটি স্কুল ভবনে পুলিশ সদস্যদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া এফ-৭/৩ সেক্টরের একটি সরকারি স্কুলও সোমবার বন্ধ রাখা হয়েছে। বিক্ষোভের কারণে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে সম্ভাব্য বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি ঠেকাতে ইসলামাবাদে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোতে নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড ও কনটেইনার বসানো হচ্ছে। শহরের রেড জোনও পুরোপুরি নিরাপত্তাবেষ্টিত করা হয়েছে।
রাজধানীর দিকে বিক্ষোভকারীদের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও প্রবেশপথ নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় খালি কনটেইনারে মাটির বস্তা ভরে সড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরির কাজও চলছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজধানীর প্রবেশ ও বের হওয়ার বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
এই পরিস্থিতির মূল কারণগুলোর একটি হলো জামায়াতে ইসলামীর রাজধানীমুখী লংমার্চ। জ্বালানি তেলের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত কর বা পেট্রোলিয়াম লেভি প্রত্যাহারের দাবিতে দলটি ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ট্রেন ও সড়কপথে ইসলামাবাদের উদ্দেশে কর্মসূচি শুরু করেছে। দলের আমির হাফিজ নাঈমুর রহমান জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।
এর আগে সরকার নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামীর লংমার্চ স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছিল। তবে সরকারের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা হলেও এ বিষয়ে কোনো সমঝোতা হয়নি। ফলে রাজধানীতে বিক্ষোভকারীদের সম্ভাব্য উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে প্রশাসন সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।
নিরাপত্তা প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইসলামাবাদ ও আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনাও করা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের জন্য স্কুল, সরকারি ভবন, ক্রীড়া কমপ্লেক্স ও অন্যান্য স্থানে থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
এ অবস্থায় সম্ভাব্য সংঘাত বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ইসলামাবাদের কিছু সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au