জামিনে বেরিয়ে ফের খুন, গৃহকর্ত্রীকে ৯ টুকরো করা কে এই লাইলী
মেলবোর্ন, ৯ আগষ্ট: কুমিল্লার দেবীদ্বারে ফরিদা বেগম (৫৫) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার পর মরদেহ টুকরো করে পলিথিনের ব্যাগে ভরে বাড়ির পেছনে লুকিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে।…
মেলবোর্ন, ৯ আগষ্ট: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। রোববার উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হালিশহরে দলীয় এক কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে।
মমতার অভিযোগ, অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন ব্যক্তি তার গাড়ি লক্ষ্য করে ইট ও পাথর ছোড়েন। এ সময় গাড়ির জানালা বন্ধ না থাকলে পাথরের আঘাতে তার মাথা ফেটে যেতে পারত বলে দাবি করেন তিনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশ হেফাজতে মারা যাওয়া তৃণমূল কংগ্রেসের এক কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে হালিশহরে বিক্ষোভের মুখে পড়েন মমতা। বিক্ষোভকারীরা তার গাড়ি ঘিরে ফেলেন এবং গাড়িতে কাদা ছোড়ার পাশাপাশি জুতা ও পানির বোতল নিক্ষেপ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় বিক্ষোভকারীদের ‘চোর ভাগাও’ স্লোগান দিতেও দেখা যায়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে মমতা অভিযোগ করেন, পুলিশের সামনেই বাইরে থেকে আসা দুষ্কৃতকারীরা তার গাড়িতে পাথর ছুড়েছেন।তিনি বলেন, “গাড়ির জানালা বন্ধ না থাকলে পাথরের আঘাতে আমার মাথা ফেটে যেতে পারত। আমি মারা যেতে পারতাম। কিন্তু অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছি। এমন হামলার মুখে আমি আগে কখনো পড়িনি।”
নিরাপত্তা নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেন মমতা। তিনি বলেন, “আমাদের নিরাপত্তায় পুলিশ কিছুই করেনি। তারা শুধু বিজেপিকে নিরাপত্তা দেয়।”
ঘটনার সময় মমতার সঙ্গে থাকা তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভা সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যসভা সদস্য দোলা সেনও প্রশাসনের সমালোচনা করেন। তাদের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পুলিশকে ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছেন।
এর আগে রোববার সকালে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হালিশহরে যান মমতা। সেখানে তিনি সাবেক তৃণমূল কাউন্সিলর জেনি শর্মার স্বামী বিরজু কেওটের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন।
বিরজু কেওট সম্প্রতি পুলিশ হেফাজতে মারা যান বলে অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার চাঁদাবাজির অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।কেওটের স্ত্রী ও কাঞ্চরাপাড়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর জেনি শর্মার অভিযোগ, থানার লকআপে তার স্বামীকে নির্যাতন ও মারধর করে হত্যা করা হয়েছে।
তবে পুলিশ হেফাজতে কেওটের মৃত্যুর অভিযোগের বিষয়ে এখনো পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র-এনডিটিভি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au