টিকটকে পরিচয়, ইমুতে প্রেম, দেখা করতে গিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় টিকটকের মাধ্যমে পরিচয়ের পর ইমুতে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এক কিশোরী ও এক যুবকের। পরে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে দেখা করতে গিয়ে ১৪…
মেলবোর্ন, ১২ আগষ্ট: পৃথিবীর কক্ষপথে সহযোগিতার পর এবার চাঁদের মাটিতে যৌথভাবে কাজ করার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোকে তাদের উচ্চাভিলাষী চাঁদে ঘাঁটি স্থাপনের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট তথ্য থেকে জানা গেছে।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মহাকাশ গবেষণায় ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে। এতদিন দুই দেশের মহাকাশ সহযোগিতা মূলত পৃথিবীর কক্ষপথে উপগ্রহ, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও বিভিন্ন মহাকাশ মিশনকে ঘিরে থাকলেও ভবিষ্যতে সেই সহযোগিতা চাঁদের পৃষ্ঠ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
নাসার পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলকে কেন্দ্র করে দীর্ঘমেয়াদি মানব উপস্থিতির ভিত্তি তৈরি করা। এর মাধ্যমে চাঁদে শুধু স্বল্পমেয়াদি অভিযান পরিচালনার পরিবর্তে ভবিষ্যতে সেখানে গবেষণা, প্রযুক্তি পরীক্ষা এবং মানুষের দীর্ঘস্থায়ী অবস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলার পথ তৈরি হবে।
এই বৃহৎ পরিকল্পনায় ইসরোর অংশগ্রহণ ভারতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। ভারত ইতোমধ্যে চন্দ্রযান-৩ অভিযানের মাধ্যমে চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলের কাছে সফলভাবে অবতরণ করে বিশ্বে নিজেদের মহাকাশ সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে। ফলে চাঁদকেন্দ্রিক ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় ভারতের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সহযোগিতা গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দুই দেশ পৃথিবীর কক্ষপথে বৈজ্ঞানিক গবেষণা থেকে শুরু করে চাঁদ ও অন্যান্য মহাকাশ অভিযানে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে কাজ করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চাঁদের পৃষ্ঠে দীর্ঘমেয়াদি মানব উপস্থিতি নিশ্চিত করতে একক কোনো দেশের পক্ষে সব ধরনের প্রযুক্তি, অর্থ ও অবকাঠামো একা তৈরি করা কঠিন। এ কারণে বিভিন্ন দেশের মহাকাশ সংস্থার মধ্যে সহযোগিতা ভবিষ্যতের চন্দ্র অভিযানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে।
নাসার আমন্ত্রণ কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে চাঁদে মানবজাতির পরবর্তী স্থায়ী উপস্থিতি তৈরির প্রচেষ্টায় ভারতও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে যুক্ত হতে পারে। এর ফলে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তির জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি দুই দেশের কৌশলগত মহাকাশ সহযোগিতাও আরও গভীর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে চাঁদের পৃষ্ঠে সহযোগিতার এই সম্ভাব্য বিস্তার মহাকাশ গবেষণায় ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে পারে। মানবজাতির ভবিষ্যৎ চন্দ্র অভিযানে দুই দেশের যৌথ অংশগ্রহণ তাই আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au