বাংলাদেশে সেল গঠনের চেষ্টা করছে আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখা
মেলবোর্ন, ১৪ আগষ্ট- বাংলাদেশে সন্ত্রাসী সংগঠন আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখা বা একিউআইএস নিজেদের কার্যক্রম বিস্তারের জন্য নতুন সেল গঠনের চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা…
মেলবোর্ন, ১৩ আগষ্ট-ভারতের নয়াদিল্লিতে আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় অষ্টাদশ ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণ নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য না হলেও বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। একই সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্যও প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে নয়াদিল্লি।
তবে আমন্ত্রণ পাওয়ার প্রায় এক মাস পরও ঢাকা সফরে যাওয়ার বিষয়ে কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়নি। ফলে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তারেক রহমান দিল্লি যাবেন কি না, গেলেও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে কি না, এসব প্রশ্ন এখনো অনিষ্পন্ন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শহীদুল করিম বুধবার জানিয়েছেন, ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
এর আগে সোমবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের কাছে জানতে চাওয়া হয়, প্রধানমন্ত্রী ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারত সফর করবেন কি না। জবাবে তিনি জানান, এ বিষয়ে এখনো কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়নি।
পরদিন নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালকেও একই প্রশ্ন করা হয়। তিনি জানান, ভারত দ্বিপক্ষীয় সফরের পাশাপাশি দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস আউটরিচ অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্যও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা জানানো হবে।
অর্থাৎ এখন পর্যন্ত ভারত সরকারের কাছেও এমন কোনো আনুষ্ঠানিক বার্তা পৌঁছেনি যে প্রধানমন্ত্রী সেপ্টেম্বরের সম্মেলনে অংশ নিতে দিল্লি যাচ্ছেন।
কেন এই আমন্ত্রণ?
২০২৬ সালে ব্রিকসের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে ভারত। ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই জোট বর্তমানে উদীয়মান অর্থনীতি ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম।
বাংলাদেশ এখনো ব্রিকসের সদস্য নয়। তবে ব্রিকসের সম্মেলনে বিভিন্ন আঞ্চলিক জোটের নেতাদের আউটরিচ অধিবেশনে আমন্ত্রণ জানানোর রীতি রয়েছে। সেই সূত্রেই বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন বা বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব বর্তমানে বাংলাদেশের হাতে। ফলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আঞ্চলিক জোটটির চেয়ারম্যান হিসেবেই ব্রিকসের আউটরিচ অধিবেশনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
গত জুলাইয়ে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের মাধ্যমে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কূটনৈতিক পত্র পাঠিয়ে এই আমন্ত্রণ জানানো হয়।
এর পাশাপাশি ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বাংলাদেশ সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় তারেক রহমানকে একটি চিঠি দিয়ে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ফলে সেপ্টেম্বরে ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য ভারত সফরটি শুধু একটি বহুপক্ষীয় সম্মেলনে অংশগ্রহণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এটি দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের সুযোগও তৈরি করতে পারে।
সফর নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এত সময় কেন?
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি শুধু একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের প্রশ্ন নয়। এর সঙ্গে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান, দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক টানাপোড়েন এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক হিসাবও জড়িত।
২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সেটি কিছুটা কমানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু বিভিন্ন ঘটনায় সম্পর্ক আবারও স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে।
সাবেক কূটনীতিকরা মনে করছেন, তারেক রহমানের ভারত সফর হলে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে দিল্লিতে যদি ব্রিকস সম্মেলনের পাশাপাশি নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়, তাহলে সেটি দুই দেশের সম্পর্কের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক বার্তা হতে পারে।
নয়াদিল্লিতে দায়িত্ব পালন করা বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সাবেক সচিব মাশফি বিনতে শামস মনে করেন, সফর নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও সম্পর্ক উন্নয়নের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর ভারত যাওয়া উচিত।
অন্যদিকে সাবেক রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক বিশ্লেষক মাহফুজুর রহমান মনে করেন, শুধু ব্রিকসের আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার চেয়ে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের সুযোগ থাকলে সফরটি বাংলাদেশের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ হবে।
তাঁর মতে, প্রধানমন্ত্রী যদি ব্রিকসের আউটরিচে অংশ নেওয়ার আগে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করতে পারেন, তাহলে সেটি বাংলাদেশের জন্য একটি ইতিবাচক কূটনৈতিক অর্জন হতে পারে। একই সঙ্গে ব্রিকসের সঙ্গে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রেও সফরটি গুরুত্বপূর্ণ।
ঘুরেফিরে আসছে শেখ হাসিনা প্রসঙ্গ
তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের আলোচনায় সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয়গুলোর একটি হয়ে উঠেছে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান।
২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শেখ হাসিনা ভারতে চলে যান। এরপর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ঢাকা ও নয়াদিল্লির সম্পর্কে টানাপোড়েন বাড়ে। যোগাযোগ ও ভিসা ব্যবস্থায় নানা সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়। নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ দেখা গেলেও শেখ হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে।
বিশেষ করে গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার ঘটনা ঢাকার জন্য অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। তাঁর বক্তব্যের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আগেই উদ্বেগ জানানো হয়েছিল। পরে তাঁর বক্তব্যের পর ভারতের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে এ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান জানানো হয়।
সাবেক রাষ্ট্রদূত মাহফুজুর রহমানের মতে, ভারতে শেখ হাসিনার অবস্থান এবং সেখান থেকে তাঁর রাজনৈতিক বক্তব্য বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করছে।
তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে তারেক রহমানের দিল্লি সফর হলে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি রাজনৈতিক যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে সফরটি সফল করতে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়টিও আলোচনার অংশ হতে পারে।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিও বড় বিষয়
তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনীতিক বিশ্লেষকেরা।
২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। নির্বাচন, মানবাধিকার ও রাজনৈতিক অধিকার নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের নানা অভিযোগ থাকলেও এসব ইস্যুতে ভারতের অবস্থান নিয়ে বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অসন্তোষ ছিল।
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর সেই ভারতবিরোধী মনোভাব আরও প্রকাশ্যে আসে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের কর্মসূচিতে ভারতীয় আধিপত্যবিরোধী বক্তব্য দেখা যায়। সীমান্ত পরিস্থিতি, পানি বণ্টন, বাণিজ্য, কূটনৈতিক সম্পর্কসহ বিভিন্ন ইস্যুতেও ভারতকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক অংশীদার ও বিরোধী দলগুলোর একটি অংশ ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে তুলনামূলক কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ফলে সরকারকে একদিকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করতে হচ্ছে, অন্যদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার বিষয়টিও মাথায় রাখতে হচ্ছে।
কূটনীতিক বিশ্লেষক মাহফুজুর রহমান মনে করেন, সংসদে ও রাজনীতিতে সক্রিয় কিছু দলের ভারতবিরোধী অবস্থানের কারণে সরকার ভারত সফরের মতো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে পারে।
সফর হলে কী হতে পারে?
কূটনীতিকদের মতে, তারেক রহমানের দিল্লি সফর হলে একসঙ্গে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনায় আসতে পারে।
প্রথমত, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান ও প্রত্যর্পণ প্রসঙ্গ। দ্বিতীয়ত, সীমান্তে হত্যা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা। তৃতীয়ত, তিস্তা ও অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন। চতুর্থত, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা। এর পাশাপাশি জ্বালানি, যোগাযোগ, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং বিমসটেকের কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক হলে দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ কাঠামো নিয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক বোঝাপড়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
সাবেক রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে শামস মনে করেন, প্রতিবেশী হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান, সমতা, ন্যায্যতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।
তিনি আরও মনে করেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে ব্রিকসের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছে। ফলে ব্রিকসের আউটরিচ অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি ভবিষ্যতে এই জোটের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রও শক্তিশালী করতে পারে।
শেষ পর্যন্ত কী করবে ঢাকা?
সব মিলিয়ে তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে এখনো তিনটি বিষয় স্পষ্ট নয়। তিনি ব্রিকস সম্মেলনে যাবেন কি না, গেলে শুধু আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেবেন নাকি দ্বিপক্ষীয় সফরও করবেন এবং ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক হবে কি না।
ঢাকার পক্ষ থেকে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসায় নয়াদিল্লিও অপেক্ষায় রয়েছে।
তবে কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সফরটি হলে তা শুধু ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের বিষয় হবে না। ২০২৪ সালের পর দুই দেশের সম্পর্কে তৈরি হওয়া দূরত্ব কমিয়ে নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার সূচনা করার ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
আর সেই কারণেই সেপ্টেম্বরের দিল্লি সফর নিয়ে সিদ্ধান্তকে ঘিরে এখন ঢাকার রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে এতটা আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
সূত্রঃ বিবিসি বাংলা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au