ককরোচদের সংসদ অভিযানে ‘বাড়াবাড়ি হয়নি’, সুপ্রিম কোর্টে দিল্লি পুলিশের দাবি
মেলবোর্ন, ১৮ আগষ্ট: দিল্লির ছাত্র-যুবদের ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে কোনো অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করা হয়নি বলে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে দাবি করেছে দিল্লি পুলিশ। আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায়…
মেলবোর্ন, ১৮ আগষ্ট: নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করাকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামী। তাঁর অভিযোগ, ব্যক্তিগত ওই ছবি অনুমতি ছাড়া শেয়ার করে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে অশালীন ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ মন্তব্য করা হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ বিষয়ে নিজের ক্ষোভ ও কষ্টের কথা তুলে ধরেন মোনামী।
মোনামীর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি তাঁর ব্যক্তিগত প্রোফাইলে একান্তই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার অংশ হিসেবে একটি ছবি প্রকাশ করেছিলেন। ছবিটির সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক বিষয় বা জাতীয় ইস্যুর সম্পর্ক ছিল না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পরে ‘এনকে কাওসার আহমেদ’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তাঁর ওই ছবি শেয়ার করা হয়। ছবিটি শেয়ার করে সেখানে লেখা হয়, ‘কোন হাওরে গেলে ভালো হবে টাঙ্গুয়ার নাকি কিশোরগঞ্জ?’ এর সঙ্গে ইংরেজিতে ‘পিক ফর অ্যাটেনশন!’ কথাটিও লেখা হয়।
এ ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়ে মোনামী তাঁর ফেসবুক পোস্টে বলেন, তাঁর ব্যক্তিগত ছবি শেয়ার করে এ ধরনের অশালীন ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ মন্তব্য করা হয়েছে। এ ধরনের আচরণে তিনি মোটেও অবাক হননি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের কর্মকাণ্ড নিয়েও সমালোচনা করেন মোনামী। তাঁর দাবি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলকে অন্যদের তুলনায় বেশি শালীন বা উদার ভাবার কোনো কারণ তিনি দেখেন না।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, যারা নিজেদের সুশীল হিসেবে উপস্থাপন করেন, তাঁদের সেই সুশীলতা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পরিচয় বা গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত শিক্ষকদের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ থাকে। অন্য শিক্ষকদের ক্ষেত্রে একই ধরনের আচরণ দেখা যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নিজের প্রসঙ্গ টেনে মোনামী বলেন, তিনি ডাকসু নির্বাচনের পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল ও বামপন্থী সংগঠনগুলোর বিভিন্ন কর্মকাণ্ড চুপচাপ দেখে যাচ্ছেন। এসব বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া না দেখানোর কারণ হিসেবে নিজের শিক্ষক পরিচয়ের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
মোনামী লেখেন, ‘আমি যেহেতু শিক্ষক, আমি ওদের না হয় ক্ষমাই করে দিই। কিন্তু মানুষ হিসেবে কষ্ট পাওয়াটা স্বাভাবিক।’
তাঁর মতে, এ ধরনের আচরণে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রকৃত লাভ কী, সেটিও তাঁর কাছে প্রশ্নের বিষয়। দলীয়ভাবে প্রশংসা পাওয়া কিংবা নিজেকে আধুনিক ও আকর্ষণীয় হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা থেকেই এমন আচরণ করা হচ্ছে কি না, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
মোনামী আরও মন্তব্য করেন, উদ্ধত ও অসম্মানজনক আচরণ করে জীবনে খুব বেশি দূর এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তাঁর ভাষায়, এ ধরনের আচরণ শেষ পর্যন্ত ব্যক্তির জন্য ইতিবাচক কোনো ফল বয়ে আনে না।
ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে তিনি পারিবারিক শিক্ষা ও রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নেওয়ার প্রবণতা নিয়েও মন্তব্য করেন। তবে তাঁর অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ফেসবুক অ্যাকাউন্টের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য বা ব্যাখ্যা পাওয়া গেছে কি না, তা পোস্টে উল্লেখ করা হয়নি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au