বাংলাদেশ

জ্বালানি সংকটে ভয়াবহ পরিস্থিতি, বাংলাদেশে অর্ধেকের বেশি কারখানায় উৎপাদন বন্ধ

  • 3:20 am - August 22, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৩২ বার
গার্মেন্টস কারখানার কর্মরত শ্রমিকরা। ছবি: সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ২২ আগষ্ট- তীব্র জ্বালানি সংকটে দেশের শিল্পকারখানাগুলোতে উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশের অর্ধেকের বেশি বস্ত্র ও সুতা উৎপাদনকারী কারখানা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। গ্যাসনির্ভর ইস্পাত, কাগজ, পার্টিকেল বোর্ড, সিরামিকসহ অন্যান্য শিল্পেও উৎপাদন নেমে এসেছে অর্ধেকের নিচে।

দীর্ঘ ২৫ দিন ধরে চলা তীব্র গ্যাসসংকটের মধ্যে ১৫ আগস্ট সামিটের ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় এবং এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল আংশিকভাবে চালু হওয়ায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছিল। তবে নতুন কোনো এলএনজি কার্গো না আসায় এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ দ্রুত কমতে থাকে। ১৯ আগস্ট বিকেল ৩টার দিকে ওই টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এতে সারাদেশে গ্যাসসংকট আরও তীব্র হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে সংকট মোকাবিলায় সরকার নতুন করে এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। গত ১৯ আগস্ট প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) ২৩ দশমিক ৯৩ মার্কিন ডলার দরে একটি এলএনজি কার্গো কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সুপারিশে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড আগামী ১ ও ২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ওই এলএনজি কার্গো সরবরাহ করতে পারে। এটি হবে ২০২৬ সালে বাংলাদেশের ৪৪তম এলএনজি কার্গো।

অন্যদিকে অতিরিক্ত এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিত করতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল কাতার সফর করলেও কোনো সুখবর নিয়ে ফিরতে পারেনি। দুই দিনের সফরে কাতারে গিয়ে তারা অতিরিক্ত এলএনজি আমদানির সুযোগ খুঁজেছিল। তবে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে চলমান অনিশ্চয়তার কারণে কাতার থেকে অতিরিক্ত এলএনজি আমদানির নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।

প্রতিনিধি দলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ছাড়াও পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ইউসিবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান শরীফ জহির, হুমায়ুন কবিরের সচিব আবদুল হক, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পশ্চিম এশিয়া অনুবিভাগের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির এবং জাকির আহমেদ ছিলেন। দলটি ১৮ আগস্ট দোহার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ে।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল জানিয়েছেন, সংগঠনটির ১ হাজার ৮০০টির বেশি সদস্য কারখানার মধ্যে ৯০০টিরও বেশি কারখানা গ্যাসসংকটের কারণে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, দীর্ঘস্থায়ী গ্যাসসংকট শুধু বস্ত্রকলেই প্রভাব ফেলছে না। গ্যাসনির্ভর ইস্পাত, কাগজ, পার্টিকেল বোর্ড ও সিরামিক শিল্পের উৎপাদনও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ১৭ আগস্ট নারায়ণগঞ্জে গ্যাস সরবরাহে সামান্য উন্নতি দেখা গেলেও পরদিন পরিস্থিতি আবার খারাপ হয়ে যায়।

দেশে প্রতিদিন গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে বর্তমানে প্রায় ২৭০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এর মধ্যে এলএনজি থেকে আসছে প্রায় ১০৫ কোটি ঘনফুট। মহেশখালীতে স্থাপিত এক্সিলারেট এনার্জি ও সামিটের ভাসমান টার্মিনালের মাধ্যমে এলএনজি জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন ব্যবস্থায় সরবরাহ করা হয়।

এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের দৈনিক এলএনজি সরবরাহ সক্ষমতা ৬০ কোটি ঘনফুট। সামিটের টার্মিনালের সক্ষমতা ৫০ কোটি ঘনফুট।

১৪ আগস্ট বিকেলে দুই এলএনজি টার্মিনালই বন্ধ হয়ে গেলে দেশের মোট গ্যাস সরবরাহ কমে দৈনিক ১৬৪ কোটি ঘনফুটে নেমে আসে। ওই দিন সন্ধ্যায় সামিট ৯ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু করলে ১৫ আগস্ট ভোরে মোট সরবরাহ বেড়ে ২৪২ কোটি ঘনফুটে দাঁড়ায়।

এরপর ১৬ আগস্ট গ্যাস সরবরাহ কমে ২৪০ কোটি ঘনফুটে এবং ১৭ আগস্ট ২২৮ কোটি ঘনফুটে নেমে যায়। এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার পর মোট সরবরাহ আরও কমে ২১৮ কোটি ঘনফুটে দাঁড়িয়েছে।

১৯ আগস্ট এলএনজি থেকে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে প্রায় ৬৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছিল। এক্সিলারেটের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর তা কমে প্রায় ৫৫ কোটি ঘনফুটে নেমে আসে। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাসসংকট আরও তীব্র হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ, সাভার, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলের কারখানা মালিকেরা জানিয়েছেন, ১৪ আগস্ট কোথাও কোথাও গ্যাস সরবরাহ সামান্য বাড়লেও পরে পরিস্থিতি আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়। কোনো কোনো এলাকায় পরিস্থিতি আগের চেয়েও খারাপ হয়েছে।

বাংলাদেশের অন্যতম বড় তাঁতশিল্পকেন্দ্র নরসিংদীর মাধবদীতে গ্যাস ও বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের দাবিতে তাঁতশ্রমিকদের সড়কে নামার খবরও পাওয়া গেছে। তবে মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ ধরনের বিক্ষোভের খবর অস্বীকার করেছেন।

শিল্প মালিকেরা বলছেন, সরকারের পক্ষ থেকে বারবার গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার আশ্বাস দেওয়া হলেও শিল্পাঞ্চলগুলোতে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। তাঁদের দাবি, দেশের অর্ধেকের বেশি বস্ত্র ও সুতা উৎপাদনকারী কারখানা ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে।

গ্যাসের অভাবে তৈরি পোশাক, ইস্পাত, কাগজসহ বিভিন্ন শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতাও অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে। ফলে কারখানাগুলোতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শ্রমিকদের আয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতার ওপরও চাপ তৈরি হয়েছে।

গত ৬ আগস্ট বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ব্যবসায়ী ও শিল্প মালিকদের আশ্বস্ত করেছিলেন যে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে। তবে এরপরও বুধবার পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন না আসায় শিল্প মালিকদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।

কক্সবাজারের মহেশখালীতে আমদানি করা এলএনজি সরবরাহের জন্য দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। এর একটি পরিচালনা করে মার্কিন প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জি এবং অন্যটি পরিচালনা করে দেশীয় প্রতিষ্ঠান সামিট। গত ২১ জুলাই অগ্নিকাণ্ডের পর এক্সিলারেটের ভাসমান টার্মিনালটি বন্ধ হয়ে যায়।

শনিবার টার্মিনালটি পূর্ণ সক্ষমতায় এলএনজি সরবরাহের জন্য প্রস্তুত ছিল। কিন্তু নতুন কোনো কার্গো না আসায় সেখানে মজুত থাকা এলএনজি দিয়ে সীমিত আকারে সরবরাহ শুরু করা হয়। সোমবার থেকে সেই মজুতও কমতে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত ১৯ আগস্ট সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

একটি এলএনজি কার্গো ২১ আগস্ট দেশে আসার কথা ছিল এবং সেটি সামিটের টার্মিনালের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। অন্যদিকে এক্সিলারেটের জন্য একটি কার্গো ২৩ অথবা ২৪ আগস্ট আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে। ফলে এক্সিলারেটের টার্মিনালে আরও কয়েক দিন এলএনজি সরবরাহ না থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এতে গ্যাসসংকট আরও বাড়তে পারে।

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের একটি শীর্ষস্থানীয় স্পিনিং মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তাঁর কারখানায় গ্যাসের চাপ প্রায় শূন্যের কাছাকাছি নেমে গেছে। অথচ সরকার ১৫ পিএসআই গ্যাসের চাপ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

তিনি বলেন, প্রতিদিন তাঁদের প্রায় ২ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে শ্রমিকদের বেতন দিতে প্রয়োজনে সম্পত্তি বিক্রি করতে হতে পারে।

ওই শিল্প মালিক আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, গ্যাসসংকট দীর্ঘায়িত হলে জুলাই ও আগস্ট মাসের গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের পাশাপাশি শ্রমিকদের বেতন দেওয়াও অনেক কারখানা মালিকের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে।

ফতুল্লা ডায়িং অ্যান্ড ক্যালেন্ডারিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিনহাজ হক বলেন, সরকার অতীতেও শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার বিষয়ে একাধিকবার আশ্বাস দিয়েছে। কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমা একের পর এক পার হয়ে গেলেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।

তিনি বলেন, এখন সরকার পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে সে বিষয়ে কোনো আশার কথাও বলতে পারছে না। ফলে শিল্প মালিকেরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।

বর্তমান সংকটের সূত্রপাত গত ২১ জুলাই। সেদিন মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান সংরক্ষণ ও পুনঃগ্যাসীকরণ ইউনিটে অগ্নিকাণ্ড ও কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ হঠাৎ কমে যায়। এরপর থেকেই সারাদেশে তীব্র গ্যাসসংকট চলছে।

পেট্রোবাংলা ও রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) সূত্রগুলো জানিয়েছে, কম দামে এলএনজি সংগ্রহের লক্ষ্যে চলতি মাসে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কয়েকটি কার্গোর জন্য অর্ডার দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে চারটি কার্গো আগস্ট মাসে দেশে পৌঁছানোর কথা ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনোটি পৌঁছায়নি।

সরাসরি ক্রয় করা এলএনজি কার্গোগুলো সময়মতো না আসায় সংকট আরও গভীর হয়েছে। টার্মিনালগুলো চালু থাকলেও পর্যাপ্ত এলএনজি না থাকলে সেখান থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব নয়।

জ্বালানি বিভাগের অনুমোদন নিয়ে এলএনজি আমদানি কার্যক্রম তদারক করে পেট্রোবাংলা। আর তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আরপিজিসিএল এলএনজি আমদানির কার্যক্রম পরিচালনা করে। এলএনজি সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, টার্মিনালগুলোর মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় সেখান থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।

নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক এক নেতা বলেন, জেলার তাঁতকলগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শ্রমিকেরা আয় হারাচ্ছেন। উৎপাদন বন্ধ থাকায় যেসব শ্রমিক উৎপাদনের ওপর ভিত্তি করে মজুরি পান, তাঁদের আয়ও বন্ধ হয়ে গেছে।

তিনি জানান, বুধবার তাঁতশ্রমিকেরা নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নেমেছিলেন। তবে তাঁরা বেশিক্ষণ সড়কে অবস্থান করতে পারেননি।

শিল্প মালিক ও শ্রমিকদের আশঙ্কা, দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা না গেলে শুধু উৎপাদন বন্ধ নয়, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক সংকট, শ্রমিকদের আয় কমে যাওয়া এবং সরবরাহব্যবস্থায় বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।

সূত্রঃ নর্থইস্ট নিউজ

এই শাখার আরও খবর

সিলেটে মাজারের দখল নিয়ে রণক্ষেত্র, ওসিসহ আহত ৪০

মেলবোর্ন, ২২ আগষ্ট- সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজারের সিলাম এলাকায় একটি মাজারের ওয়াকফ এস্টেট, মসজিদ ও প্রায় ৪০টি দোকানকোঠার নিয়ন্ত্রণ এবং দানবাক্সের টাকা নিয়ে দুই পক্ষের…

শীর্ষ সন্ত্রাসীদের জামিন ঠেকাতে না পেরে হতাশ র‍্যাব

মেলবোর্ন, ২২ আগষ্ট- শীর্ষ সন্ত্রাসীদের বারবার গ্রেপ্তারের পর জামিনে মুক্তির ঘটনায় হতাশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও। তবে দুর্বল এজাহার বা তদন্তে গাফিলতির কারণে তারা জামিন…

রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মেলবোর্ন, ২২ আগষ্ট- বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত…

বালিতে হামলায় অস্ট্রেলিয় নাগরিকের মৃত্যু

মেলবোর্ন, ২২ আগষ্ট: ইন্দোনেশিয়ার বালিতে কথিত হামলায় অস্ট্রেলিয়ার পার্থের এক নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনায় চার অস্ট্রেলীয় নাগরিককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দেশটির পুলিশ। নিহত পল ডুগান গত…

​১৫ আগস্ট থেকে ২১ আগস্ট: বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনাকে ঘিরে রক্তাক্ত রাজনীতির অধ্যায়

মেলবোর্ন, ২১ আগষ্ট- ​বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্ট দুটি আলাদা তারিখ হলেও আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক স্মৃতিতে এ দুটি দিন গভীরভাবে পরস্পর যুক্ত।…

রাষ্ট্রপতির শপথে গোপনীয়তার শপথ নেই কেন

মেলবোর্ন, ২১ আগষ্ট: বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির শপথে গোপনীয়তা রক্ষার কোনো অঙ্গীকার নেই। সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে রাষ্ট্রপতির শপথবাক্য নির্ধারিত থাকলেও সেখানে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের মতো রাষ্ট্রপতির জন্য…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au